সোশ্যাল মিডিয়াই কি তবে দায়ী আত্মহত্যার জন্য?
ওয়েব ডেস্কঃ কখনও ভেবে দেখেছেন যে মানুষ আত্মহত্যা কেন করে? কখনও ভেবে দেখেছেন যে মানুষ একাকিত্বে কেন ভোগে? আসলে আমরা যত বেশি আধুনিক হচ্ছি তত বেশি একাকিত্ত্বে ভুগছি। এর প্রধান কারন হল এই যে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ার পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যাবস্থা তাঁর অন্যতম কারন। এই সোশ্যাল মিডিয়া আসার ফলে মানুষের দুরত্ত্ব কমেছে বটে কিন্তু অনেক বেশি সমস্যা তৈরি হয়েছে। এবং সব থেকে বড় বিষয় হল এই যে শুধু সোশ্যাল মিডিয়া নয় একাধিক কারনে মানুষ মানুষের থেকে দূরে সরে যায়। এবং সব থেকে বড় বিষয় হল এই যে আমাদের মাথাতেই থাকেনা যে কোন সময় কোন মানুষ নিজেকে গোটা সমাজ থেকে আলাদা করে নিচ্ছে। এবং এর ফলেই একাকিত্ত্ব তৈরি হয়। যার পরিনাম একটা সময় সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
WHO এর রিপোর্ট অনুযায়ী সারা বিশ্বে এক বছরে ৮ লক্ষ মানুষ আত্মহত্যার কারনে মারা যায়। যার অর্থ প্রতি ৪০ সেকেন্ডে ১ জন। অর্থাৎ বুঝতেই পারছেন যে মানুষ কেরকম পরিমানে একাকিত্ত্বে ভুগছেন।
সব থেকে বড় আশ্চর্যের বিষয় হল এই যে ২০১২ তে সারা বিশ্বে আত্মহত্যার কারনে সব থেকে বেশি মানুষ মারা গেছে ভারতবর্ষে। অর্থাৎ বুঝতেই পারছেন যে কেরকম লাফিয়ে বাড়ছে সংখ্যাটা।
আসলে এর অন্যতম কারন হল যখন কোন মানুষ মানুষিক অবসাদে ভোগেন তখন সেই বিষয় গুলি নিয়ে কারও সাথে আলোচনা করেন না। করতে ভয় বা লজ্জা পান। তবে এটি কিন্তু এখন চিকিৎসা দ্বারা কমানো সম্ভব। বাকি রোগ গুলির ন্যায় এই রোগের ও ওষুধ আছে।
ফর্টিস হসপিটালের ডাক্তার সৃষ্টি সাহার মতে এর চিকিৎসা সম্ভব। খব সহজেই এর প্রতিরোধ করা যেতে পারে। তাঁর মতে কোন মানুষের কোনোরকম মানুষিক সমস্যা হলে অর্থাৎ তাঁর ইমোশান এবং ফিলিংস গুলি নিয়ে কথা বলে আসতে আসতে তাঁকে আবার সমাজের মূল স্রোতে ফেরানো সম্ভব। এবং সে যদি পরিবারের লোকের সাথে বা নিজের বন্ধুবান্ধবদের সাথে এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে না চান তাহলে ডাক্তারের সাথে কথা বলা যেতেই পারে। এবং সব থেকে বড় বিষয় হল এই যে এখন ২৪*৭ হেল্প লাইন নাম্বার চালু হয়েছে, সেখানেও ফোন করে কথা বলা যেতে পারে। +918376804102 হল হেল্প লাইন নাম্বার যা ১৪ টি ভাষায় আপনি কথা বলতে পারবেন দিনের যেকোনো সময়।
