আমেরিকার থেকে প্রচুর টাকার অস্ত্র ক্রয় করতে চলেছে ভারতবর্ষ

নিউজ ডেস্কঃ আমেরিকা এবং রাশিয়া। আন্তর্জাতিক মার্কেটের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী। পৃথিবীতে বেশিরভাগ অস্ত্র এই দুই দেশই বিক্রি করে থাকে। আর সেই কারনে পৃথিবীর বহু দেশকেই অসুবিধায় পরতে হয় একাধিক সময়। কারন রাশিয়ার অস্ত্র আমেরিকার অস্ত্রের মধ্যে বিশেষ কিছু জায়গায় বিশেষ কিছু পার্থক্য থাকার কারনে এই দুই দেশ থেকেই অস্ত্র ক্রয়ের দিকে ঝুঁকতে হয় পৃথিবীর বহু দেশকেই। তবে সবথেকে বড় অসুবিধার বিষয় হল এই যে আমেরিকার থেকে যেসকল দেশ অস্ত্র ক্রয় করে তারা রাশিয়ার থেকে অস্ত্র ক্রয় করতে পারবেনা, এমনই এক আইন পাশ করেছে আমেরিকা কিছুদিন আগে। আর তার কারনে রাশিয়ার থেকে কোন দেশ অস্ত্র ক্রয় করলে তারা আমেরিকার নিষেধাজ্ঞায় পরে যাবে, আর তার ফলে আমেরিকা থেকে যেমন অস্ত্র ক্রয় তো করতেই পারবেনা, অপরদিকে একাধিক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে।

আমেরিকান স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরে আমেরিকা ভারতে ২০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রয় করার লক্ষ্য নিয়েছে।

কিছু সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে হয়ত ভারত রাজিও হয়ে যাবে কারন এবছরই সেনাবাহিনীর S-400 ডেলিভারি পাওয়ার কথা। সুতরাং CATSA থেকে বাঁচার জন্য আমেরিকার চাপে পড়ে রাজি হতে পারে দেশ।

কারন এমনিতেই রাশিয়ান যুদ্ধাস্ত্র ক্রয় কয়ার জন্য একাধিক দেশ কে ইতিমধ্যে ধমকাচ্ছে আমেরিকা। ইতিমধ্যে SU-35 চুক্তির জন্য ইন্দোনেশিয়া এবং মিশর কে সতর্ক করা হয়েছে।

তবে প্রশ্নটা অন্ন জায়গায়। ২০ বিলিয়ন ডলার ছোট অ্যাকাউন্ট না, সেক্ষেত্রে ভারত কি এমন ক্রয় করবে আমেরিকার থেকে? তবে একটা কারন হতে পারে বলে মত সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাহল MMRCA-2 টেন্ডার টা পাওয়ার জন্য আমেরিকা উঠে পড়ে লেগেছে। আর এই টেন্ডারটা একাই ১৬-১৭ বিলিয়ন ডলারের মতো বিরাট পরিমান অর্থ নিয়ে যাবে। পাশাপাশি বাকি টাকায় প্রিডেটর ড্রোনের চুক্তি ও হতে পারে।

ভারতবর্ষ এখন উভয় সংকটে রয়েছে বলে মত সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। কারন  S-400 ক্যানসেল করা সম্ভব না আবার আমেরিকার স্যাংশনে পড়াও সেনাবাহিনীর জন্য ক্ষতিকর। সেক্ষেত্রে মধ্যবর্তী পথ হিসাবে আমেরিকার সাথে ডিফেন্স চুক্তি ছাড়া আর কোন উপায় নেই বলেই মত আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *