ডিফেন্স

পাইলট ছাড়াই ঝুকিপূর্ণ মিশনে পাঠানো যাবে ভারতবর্ষের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানকে

নিউজ ডেস্কঃ একের পর এক প্রোজেক্ট সামনে আসছে ভারতবর্ষের সামরিক ক্ষেত্রের। বিশেষ করে যুদ্ধবিমান তৈরির ক্ষেত্রে। বর্তমানে সেনাবাহিনীর হাতে একের পর এক যুদ্ধাস্ত্র থেকে শুরু করে মিসাইল আসছে দেশীয় প্রযুক্তির। তবে তেজাস বাদে সেনাবাহিনীর হাতে থাকা বাকি যুদ্ধবিমান গুলি বিদেশ থেকে ক্রয় করা। তেজাস সেনাবাহিনীর হাতে থাকা দেশীয় প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান হলেও এর ইঞ্জিনের জন্য বিদেশের উপর নির্ভর করতে হয়। আর সেই কারনে ভারতের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের জন্য যাতে বিদেশের উপর নির্ভর করতে না হয় সেই জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে ইঞ্জিন তৈরির জন্য ইতিমধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ফ্রান্সের সাথে। ভারতেই তৈরি হবে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন। তবে এই পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হাতে পাবে কবে সেনাবাহিনী?

এ্যরো ইন্ডিয়া শো তে  একের পর চুক্তি সই হওয়ার পাশাপাশি ভালো খবর এসেছে সেনাবাহিনীর জন্য। তবে বড় খবরের মধ্যে একটি হল ভারতের প্রথম ৫.৫প্রজন্মের স্টেল্থ ফাইটার আমকার। যুদ্ধবিমানটির প্রথম রোল আউট হতে চলেছে ২০২৪ সালে। প্রথমবার আকাশে উড়তে দেখা যাবে ২০২৫এর দিকে। পাশাপাশি এডিএ এর বিজ্ঞানীরা প্রথম থেকেই জানিয়েছিলেন যে আমকার মধ্যে ষষ্ঠ প্রজন্মের সক্ষমতা থাকবে। বিশেষ করে আনম্যনেড কম্ব্যট(মানুষ ছাড়াই যুদ্ধ চালানো) সক্ষমতা। অর্থাৎ আমকাকে প্রয়োজনে পাইলট ছাড়া ঝুকিপূর্ণ মিশনে পাঠানো যাবে। স্বনিয়ন্ত্রিত সিস্টেম হিসাবে কাজ করবে এই যুদ্ধবিমান। প্রয়োজনে পাইলট দুর থেকে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে এই যুদ্ধবিমানকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

আমকার প্রাইমারি ডিজাইন রিভিউ হয়েগেছে। বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে ডিজাইন রিভিউ এর মধ্যবর্তী পর্যায়ে রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৩ এর মধ্যে আমকার মেটাল বা ষ্টীল কাটিং শুরু হবে, প্রথম আমকা নির্মানের জন্য। ইতিমধ্যে তেজস মার্ক-২ এর মেটাল কাটিং শুরু হয়েগেছে। ২০২২ এই রোল আউট হতে চলেছে মার্ক-২ এর!

শেষ দুই বছরে ভারতের ডিফেন্সের প্ল্যনিং, তাদের রণনীতি, কাজ করার গতী সব কিছু দ্রুততার সাথে হয়েছে। আসল প্রস্তুতি বালাকোটের পরই শুরু হয়ে গিয়েছিল। আসলে ডিফেন্স রিসার্চ সেক্টরের “ওভারহলিং” করা হয়েছে গভীরে। বিশেষ করে ডিআরডিও এর সাথে মেক ইন ইন্ডিয়ার নীতিতে বিশ্বাস করে কেন্দ্র সরকার দেশীয় যুদ্ধাস্ত্র রিসার্চে ব্যপক পরিমাণে বিনিয়োগ করছে। পাশাপাশি রয়েছে প্রাইভেট সেক্টর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *