ডিফেন্স

৪৬০ কোটির দেশীয় যুদ্ধবিমানের সাথে ₹১৬০০ কোটির বিদেশী যুদ্ধবিমানের তুলনা? এগিয়ে কে?

নিউজ ডেস্কঃ ভারতের দেশীয় যুদ্ধবিমান তেজাস নাকি রাফালে? এগিয়ে কোন যুদ্ধবিমান। এই নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে অনেকের।আসলে এই প্রশ্ন থাকাটা খুব স্বাভাবিক, কিন্তু এই দুই যুদ্ধবিমানের তুলনা করাটা এইভাবে ঠিক নয়।

৪৬০ কোটির দেশীয় যুদ্ধবিমানের সাথে ₹১৬০০ কোটির বিদেশী যুদ্ধবিমানের তুলনা? ভারতীয় বায়ুসেনার দুই নতুন সদস্য Tejas MK-1A এবং RAFALE এর ইউনিট প্রাইস এর কথাই বলা হল। জেট গুলির দাম নিয়ে তুলনা করতে যাওয়াটা ভুল। কারন দাম যাই হোক,এই দুই জেট এর সাথে দেশের আকাশ সীমা যে সুরক্ষিত থাকবে তার কিন্তু গ্যারান্টি আছে।

কারন ? যদি তেজাসের কথা বলা হয় তাহলে এটি এর পড মাউন্টেড সেলফ প্রোটেকশন জ্যামার এবং লো ফ্রন্টাল RCS সহকারে এয়ার কমবেট মিশনে একটি মারাত্মক জিনিস হতে চলেছে। তেজাস এমনিতেই ছোট আকারের ফাইটার জেট, তার ওপর আবার এর দেহের ৪৫% CFC মেটেরিয়াল বা কম্পোজিট মেটেরিয়ালে তৈরী। এতে স্বাভাবিক ভাবেই লো রাডার ক্রস সেকশন (RCS) তৈরী হয়ে যায়। তেজাসের RCS প্রায় ০.৫ বর্গ মিটার। এটি এর অত্যাধুনিক ELTA-2052 AESA রাডারের সাহায্যে খুব সহজেই ১.৫ বর্গ মিটার RCS যুক্ত ফাইটার জেট (যেমন — পাকিস্তানের F-16 B-52) ১৮০ কিলোমিটার দুর থেকেই ডিটেক্ট এবং লক করে নিতে পারবে। আর তার সাথে অস্ত্র বি.ভি.আর মিসাইল তো থাকছেই। পাকিস্তানের জেট গুলিকে টার্গেট করা খুব কঠিন হবে না।

অপর দিকে রাফালে সাধারণ তার AESA রাডার RBE-2AA দিয়ে সহজেই ৫ বর্গ মিটারের কোন টার্গেট কে ২০৮ কিলোমিটার দুর থেকেই শনাক্তকরন করতে সক্ষম। কিন্তু আসল মজা তখন আসে,যখন রাফালে তার স্পেক্ট্রা ব্যবহার করে। আর তখন রাফালের RCS কমে ০.১-০.৪ বর্গ মিটারের মধ্যে চলে আসে,আর তখন ঐ এক‌ই টার্গেটকে ২৮০ কিলোমিটার দুর থেকেও রাফালে ডিটেক্ট বা শনাক্তকরন করতে পারে। স্পেক্ট্রা ব্যবহারের ফলে রাফালে ,ইউরোফাইটার টাইফুনকে ১৯৫ কিলোমিটার দুর থেকেই লক করে নিতে পারবে।আর বাকি কাজ মিটিওর করে দেবে। প্রসঙ্গত ছয়টি এয়ার টু এয়ার মিসাইল সহকারে টাইফুনের RCS হয় ০.৯-১.২ বর্গ মিটার। আশা করা যায় এই দশক ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য সেরা দশক হয়ে উঠবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *