অফবিট

যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায়ের কর্মসূচি

রামনবমী উপলক্ষে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায় গতকাল বিকেলে সোনারপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এক বিশাল শোভাযাত্রায় অংশ নেন। ডঃ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই শোভাযাত্রায় বিগত সব বছরের তুলনায় অনেক বেশী মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিগত কয়েকবছরে রাজ্যে বঙ্গ বিজেপির সমর্থন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনারপুর কেন্দ্রে কিশোর থেকে শুরু করে প্রবীনরাও ডঃ গঙ্গোপাধ্যায়ের সাথে এই শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। ভগবান শ্রীরামের প্রতি ভক্তির কারনে মানুষজন স্বতস্ফূর্তভাবে বিজেপির এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন। রামনবমীকে কেন্দ্রকরে রাজ্যে বিজেপির সমর্থনে একের পর এক বিশাল শোভাযাত্রা প্রমান করেছে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরা জেগে উঠেছে। গত কয়েকদিনে ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায় সহ বাকী বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে বিশাল জনসমাবেশ, পথসভা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পরিবর্তন চায় এবং বিজেপির প্রতি তাদের আস্থা রয়েছে কিন্তু তৃনমূলের ভয়ে তারা স্বতস্ফুর্তভাবে বিজেপির সাথে যুক্ত হতে পারছেনা। এই শোভাযাত্রার পর ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায় যাদবপুরে একাধিক পথসভা ও জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন।  ২০১৯ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির হয়ে সাধারন মানুষের উন্নয়নের জন্য নিরলস প্রচেষ্টা করে চলেছেন ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায় যারজন্য শাসকদলের অধীনে থাকা যাদবপুরের মতো গুরুত্বপূর্ন লোকসভা কেন্দ্রে ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায়ের সমর্থনে সাধারন মানুষের ঢল নেমেছে যা শাসকদলের মধ্যেও ভয়ের সঞ্চার করেছে। 

এদিকে দেশজুড়ে ১৮তম লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়ে গেছে গতকালই। লোকসভা নির্বাচনে বাংলাতে সাত দফায় ভোট হবে। গতকাল প্রথম দফার ভোট হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের তিনটি লোকসভা কেন্দ্র আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে। বাংলা দফায় ভোটের হার ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ। নির্বাচনকে কেন্দ্রকরে কোথাও কোথাও কীছু উত্তেজনাকর পরিস্থিতি র কথা সামনে এসেছে। রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল বিজেপি শাসকদল তৃনমূলের উপর তাদের কর্মী সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ করেছে। প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গে ভোট হলেও দক্ষিনবঙ্গে ভোট হবে সপ্তম দফায় অর্থাৎ শেষ দফায়। দক্ষিনবঙ্গে ভোট হতে এখনও প্রায় ছয় সপ্তাহ দেরী। ১ জুন শেষ দফায় দক্ষিন বঙ্গের নয়টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট হবে:- উত্তর কলকাতা, দক্ষিন কলকাতা, বসিরহাট, জয়নগর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, দমদম মথুরাপুর ও বারাসতে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র খুবই গুরুত্বপূর্ন। যাদবপুর কেন্দ্রে অতীতে সিপিআইএমের যথেষ্ট প্রভাব ছিল। যারজন্যে এই কেন্দ্রে বিজেপি, তৃনমূল ও সিপিআইএমের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে। তবে যাদবপুরে সিপিআইএমের বহু ভোট বিজেপিতে আসার সম্ভবনা রয়েছে। যারজন্য যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে মূলত বিজেপি প্রার্থী ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায় এবং তৃনমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষের মধ্যেই প্রকৃত লড়াই হবে। এজন্য উভয়পক্ষই যাদবপুর কেন্দ্রে জোরতার নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু করেছে। অতীতে দেবাদিদেব মহাদেবকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যের কারনে সায়নী ঘোষের উপর হিন্দু ধর্মের একটি বড় অংশ এখনও ক্ষুব্ধ। কিন্তু বিপরীতে ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায় তার একাধিক জনকল্যানমুখী কাজকর্মের জন্য বিশেষকরে সুষ্ঠুভাবে রামনবমী আয়োজনের জন্য হিন্দু ভোটারদের বড় অংশ তাকে পচ্ছন্দ করছে ও সমর্থন করছে। এই ডাঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রতিটি পথসভা, জনসংযোগ কর্মসূচি, শোভাযাত্রাতে সাধারন মানুষের উপছে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এইকারনে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে সায়নী ঘোষের তুলনায় ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায়ের এগিয়ে রয়েছেন। 

গতকাল সোনারপুর বিধানসভা কেন্দ্রে রামনবমী শোভাযাত্রা সম্পন্ন হবার পরেই ডঃ গঙ্গোপাধ্যায় রাত দশটার সময় যাদবপুর দুই নং মন্ডল এইচ ব্লকের রিক্সা স্ট্যান্ডে যান। রাত দশটার সময়েও ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায়ের সাথে দেখা করবার জন্য বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ধনী থেকে গরীব, কিশোর থেকে প্রবীন সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে ডঃ গঙ্গোপাধ্যায়ের গ্রহনযোগ্যতা চোখে পড়ার মতোন। সমাজের প্রত্যেক স্তরের মানুষই দারুন ভাবে সমর্থন করছে ডঃ গঙ্গোপাধ্যায়কে। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে প্রচারভিযানে ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিরলস ভাবে জনসেবার অনন্য দৃষ্টান্তের কথা জনসমক্ষে তুলে ধরছেন এবং পুনরায় নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের জন্য সাধারন মানুষের কাছে আর্জি জানাচ্ছেন। ডঃ অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা, মার্জিত ব্যবহার, জনকল্যানমুখী কাজের কারনে সায়নী ঘোষের তুলনায় সাধারন মানুষজন অনেকবেশী সমর্থন করছে তাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *