অফবিট

ভারতবর্ষের কোথায় শহীদ হয়েছিলেন ঝাঁসির রানী?

নিউজ ডেস্কঃ ভারতবর্ষের ইতিহাসে প্রচুর চিরস্মরণীয় বিপ্লবী নেতা রয়েছেন। এসব অসাধারণ ব্যক্তিত্বের মধ্যে রয়েছেন নারীরাও। তেমনই অত্যন্ত বীর এবং সাহসী একজন রানি লক্ষ্মীবাঈ। ইংরেজদের উদ্দেশে লক্ষ্মী বলেছিলেন, ‘আমি দিব না! আমি আমার ঝাঁসি ছেড়ে দিব না! কেউ আমার ঝাঁসি কেড়ে নিতে পারবে না; যার সাহস আছে সে চেষ্টা করতে পারে!’ ঝাঁসির দুঃসাহসী রানি এ আহ্বানের মাধ্যমেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করেছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর রাজপাট সামলেছেন। প্রজাদের মঙ্গলের চেষ্টা করে গেছেন আমৃত্যু। আরও অনেকের মতো আত্মহননের পথে এগোননি।

জহরব্রত পালন করেননি। ভীরু মনে দুবেলা মরার অপেক্ষা করেননি। বরং ঝাঁসিকে স্বাধীন রাখতে হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র…

ভারতবর্ষের ইতিহাসে অসাধারণ ব্যক্তিত্বের মধ্যে অন্যতম হলেন অত্যন্ত বীর এবং সাহসী, রাণি লক্ষ্মীবাঈ । ইংরেজদের বিতাড়িত করে ঝাঁসির রানি শুরু করেছিলেন তার রাজ্য শাসন। স্বামীর মৃত্যুর পর হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র। ভীরু মনে দুবেলা মরার অপেক্ষা করেননি। বরং ঝাঁসিকে স্বাধীন রাখতে হাতে তুলে নিয়েছেন অস্ত্র। গড়ে তুলেছেন প্রমীলা বাহিনী।

১৮৫৩ সালে লক্ষ্মীবাঈয়ের স্বামী রাজা গঙ্গাধর মারা গেলেন। লর্ড ডালহৌসির নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ‘ডক্ট্রিন অভ ল্যাপস’ এর মতে রাজার দত্তক ছেলে দামোদর রাওকে উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানাল। কিছু বছর পর রানি লক্ষ্মীবাঈ তাঁর সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ব্রিটিশরা যেহেতু প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ছিল, তাই রানি তাঁর দুর্গটি রক্ষা করতে পারেননি।

১৮৫৮ সালে ফুলবাগ এলাকার কাছাকাছি রাজকীয় বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে শহীদ হন রানি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *