ডিফেন্স

টার্গেটের দিকে তাকালেই ছুটে যাবে মিসাইল। আসছে অত্যাধুনিক হেলমেট

কোনোদিন ভেবে দেখেছেন যে সামনের দিকে পাইলট প্লেন নিয়ে এগিয়ে যায় এবং সেইসময় যদি পেছন থেকে কোনও যুদ্ধবিমান আক্রমণ করে দেয় সেক্ষেত্রে কি হবে? বা কি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে?

ইলেক্ট্রো অপটিক্যাল টার্গেটিং সিস্টেম। এই প্রযুক্তি হল বর্তমানে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ টার্গেটিং সিস্টেম।

হেলমেট মাউন্টেড ডিসপ্লে এমন এক ব্যবস্থা যার কারনে শুধু টার্গেটর দিকে তাকালেই টার্গেট লক হয়। এমনই কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে অ্যামেরিকার এফ-৩৫ এ।

এফ-৩৫ যে কোনো দিক থেকে টার্গেটকে লক করার পর মিসাইল নিজেই প্রয়োজনে ১৮০ডিগ্রী ঘুরে টার্গেট ধ্বংস করবে। অর্থাৎ এফ-৩৫ এর পিছনে যদি সু-৩৫ থাকে তবুও ফলাফল একই হবে। কারন সু-৩৫ এর মতো এফ-৩৫ ম্যনুয়েভার করে টার্গেটের পিছনে যাওয়ার প্রয়োজন পরে না। এফ-৩৫ এর মিসাইলই ম্যনুয়েভারের কাজ করে।

অনেকে ভাবে যে অ্যামেরিকার তৈরি এফ-৩৫ ডগ ফাইটে কাঁচা। কথাটা সম্পূর্ণ ভূল। কারন এফ-৩৫ এই টার্গেটিং সিস্টেম ৩৬০ডিগ্রী কভারেজ আছে। এফ-৩৫ যেকোনো দিকে থেকে বিমান টার্গেট কে লক করতে সক্ষম। শুধু তাই নয়। এই প্রযুক্তি রাশিয়ান প্রযুক্তি থেকে অনেক বেশি আধুনিক। যদিও এই রাশিয়ার প্রযুক্তি এর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দূর থেকেই শত্রু বিমানের তাপ ডিটেক্ট করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *