খাদ্য বস্তু খাওয়ার পর এই নিয়মগুলি মেনে চলছেন তো? নইলে সমূহ বিপদ

রিয়া আচার্য, কলকাতাঃ আমরা খাওয়ার খাই কেন? শরীর ঠিক রাখতে? পেট ভরাট করতে? শরীরকে ঠিক মতো চালাতে? নাকি শরীর সুস্থ রাখতে? অনেক প্রশ্নই আসে। যে আমরা খাওয়ার খাই কেন? তবে একটা কথা ঠিক যে খাদ্য বস্তু হজম করার পাশাপাশি শরীরকে সঠিকভাবে চালনা করার জন্যই আমরা খাদ্য গ্রহন করে থাকি। তবে কিছু সময় মাত্রা অতিরিক্ত খেয়ে ফেলি, বা অনেক সময় খেয়েই শুয়ে পরি, আবার কোনও সময় কাজের তাগিদে বাইরে বেরিয়ে পরি। কোনও সময় ভেবে দেখেছেন যে এর ফলে কি হতে পারে। আসলে ব্যপার গুলি নিয়ে আমরা অনেকেই ভাবিনা। যেই কারন বশত একাধিক সময় আমাদের মূল্য চোকাতে হয়। নিমন্ত্রণ বাড়িতে খেতে গেছেন। পেট ভরে খেয়ে ফেলেছেন, শরীর অসুস্থ লাগছে এমনও শোনা গেছে যে নিমন্ত্রণ খেয়ে এসে অসুস্থ হয়ে পরেছে। তবে কি নিয়ম মানবেন খাওয়ার পরে বা আগে?

চিত্তের উদ্বিগ্ন অবস্থায় খেলে পাকরস নিঃসরণের ব্যাঘাত ঘটে ফলে হজমে অসুবিধা হতে পারে।

প্রসন্নচিত্তে ভোজন করা স্বাস্থ্যের অনুকূল। পথ চলতে চলতে খাওয়া খাবার পর একটু বিশ্রাম না করা অথবা শ্রমের পর গলদঘর্ম অবস্থায় খাওয়া অত্যন্ত অনিষ্টকর।

খাবার পর বিশ্রাম না করেই অফিস দৌড়ানো স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নয়। সময় থাকতে খেয়ে অন্তত ১৫ মিনিট হলেও বিশ্রাম নেওয়া উচিৎ।

একটু কম খাওয়া উচিত খুব পেট ভরে খেতে নেই। তিন ভাগ উদর পূর্ণ করে একভাগ খালি থাকতে খাওয়া বন্ধ করতে হয়। এতে ভুক্তদ্রব্য সহজে জীর্ণ হয়।

নিমন্ত্রণ খেতে বসে অনেকেরই এ কথা মনে থাকে না। পেট ভরে খাওয়া ক্ষতিকারক জেনেও অনেকেই এ কথা গ্রাহ্যের মধ্যেই আনেন না। কিন্তু যাঁদের শরীর খারাপ হয়েছে তাঁরা এর মর্ম উপলব্ধি করতে পারেন। অল্প ক্ষিধে রেখে খেলে শরীর দুর্বল হয় না বরং খাদ্য হজম হওয়ায় শরীর ভালোই থাকে। প্রবাদ আছে-‘ঊনা ভাতে দুনা বল’।

সবসময় হজমশক্তির মাত্রা বুঝে ভোজন করবেন। অতিরিক্ত ভোজন যেমন অনিষ্টকারক তেমন ক্ষিধের সময় না খাওয়াও তেমনই অনিষ্টকারকও বটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *