ভাত, মিষ্টি তরিকারির পর কেন ফল খেতে বলা হয়? অর্থাৎ ভরা পেটে ফল কেন?

এ এন নিউজ ডেস্কঃ

আমাদের শরীর প্রধানত ক্ষার ধর্মাবলম্বী। সুতরাং এমন সব খাদ্য খেতে হয় যাতে মোটের উপর শরীরের ক্ষারত্ব বজায় থাকে। কিন্তু দ্রব্য মাত্রেই, এমনকি চিনি মিছরিও অম্লরস আছে, এজন্য এমন সব দ্রব্য এক সঙ্গে খেতে হয় যাতে অম্লরস নষ্ট হতে পারে। একটি উদাহরন দিলে বিষয়টি বোঝবার পক্ষে সুবিধা হবে।

আমরা ভাত বা রুটি খাই, এগুলো খেতে কিছু মাত্র টক স্বাদও লাগেনা। কিন্তু পেটের ভেতর গিয়ে তা থেকে যেমন শর্করা রস উৎপন্ন হয় তেমনি অম্লরসও উৎপন্ন হয়ে থাকে। অথচ আমরা শর্করা রস টুকুই পছন্দ, কাজেই ফলমূল, তরিতরকারি প্রভৃতি খেয়ে এই অম্লরসের ভাগ টুকুকে কাটিয়ে নিন এবং সেই সঙ্গে লবন প্রভৃতিও সংগ্রহ করা হয়।

কোন দ্রব্যে অম্লরস বেশি বা ক্ষার বেশি উৎপাদন হয়। তার সংক্ষিপ্ত তালিকা এই চাল, ডাল, মাছ মাংস ডিম তেল এরা পরিপাকের পর অম্লরস উৎপাদন করে। দুধ, দই, ঘোল, লেবু, কমলা, আলু, মূলা, শিম, বেগুন, পটল, কপি প্রভৃতি ক্ষার উৎপাদন করে।

ক্ষার পরিণামই দ্রব্যের উপর যতবেশি নির্ভর করতে পারা যায় ততই ভালো। তবে কোন শ্রেণীর খাদ্যেই এককভাবে শরীর রক্ষা করতে পারেনা। তাই দুই শ্রেণীর খাদ্যের দরকার। শরীর ক্ষার ধর্মাবলম্বী বটে, কিন্তু তাই বলে এর আধিক্য হওয়া ভালো নয়। ক্ষারের আধিক্য ঘটলে শরীরে নানা দোষের উৎপত্তি হয়। সেই জন্য কিছু অম্লরসাৎপাদন দ্রব্য রোজ খেতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *