সুন্দরবনের কুমিরমারিতে সোলার বিদ্যুৎ পৌঁছাতে বদ্ধ পরিকর রোটার‍্যাক্টার সৃজিতা নিয়োগী

সুমিত, কলকাতাঃ একটা সময় ছিল যখন বর্ষার পর হাল্কা শীত লাগত বলে কাঁথা বা একটা হালকা চাঁদর দিতে হত। এবং সময়টা তখনকার মানুষ বুঝতেন যে এবার মনে হয় রথ চলে এল। বেশ কয়েক দশক আগের কথা। আর এখন কাঁথা গায়ে দেওয়া তো দূরের কথা, ফ্যান চালিয়েও স্বস্তি নেই শহরে এসি বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি গ্রামে এখনও তা নিষ্প্রয়োজন। গ্রামের কিছু কিছু জায়গায় এখনই হয়ত হালকা একটা চাঁদর গায়ে দিতে লাগে। বিশেষ করে সুন্দরবনের মতো জায়গায়। আর গায়ে চাঁদর দিতে লাগবেনা কেন বলুন তো? সেখানে তো এখনো গাছপালা কমে যায়নি ফলে গরমটা বেশ কম। তবে এখনও এই সুন্দরবনের মতো কিছু স্থান ভারতবর্ষে আছে, যেখানে আলো পৌঁছায়নি। সোজা কথায় বিদ্যুৎ। একুশ শতকের যুগে যখন আমরা যখন এসি ছাড়া চলতে পারিনা, সে জায়গায় দাঁড়িয়ে ভারতবর্ষের প্রচুর স্থানে বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি।

২০২১ সালের মধ্যে ভারতবর্ষের প্রতিটি প্রান্ত আলোকিত করার শপথ নিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী। এবং সেই মতো কাজও চলছে। ৭০ শতাংশ গ্রামে ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ পৌঁছেগেছে। সব ঠিক থাকলে হয়ত ২০২১ এর মধ্যেই তা সম্ভব। কিন্তু গ্রামের এই সাধারন মানুষ গুলিকে যদি আরও ভালো পরিষেবা এবং আরও তাড়াতাড়ি এই সুযোগ সুবিধা দিতে গেলে এগিয়ে আসতে হয় নিজেদেরকে। ঠিক সেরকমই চিন্তা শ্রীজিতা নিয়োগীর। কর্মসূত্রে একটি বেসরকারি আইটি ফার্মে কাজ করলেও রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের সাথে জড়িত বহু বছর ধরে। ২০১৯-২০ তে p drr শ্রীজিতা নিয়োগী দায়িত্ত্ব নিলেন সেরিক এম ডি আই ও এর প্রেসিডেন্ট হিসাবে। এবং তাঁর লক্ষ্য সুন্দরবনের কুমিরমারিতে সোলার বিদ্যুৎ পৌঁছানো। ইতিমধ্যেই তিনি ২০০ এর উপর সোলার ল্যাম্প দিয়েছেন সুন্দিরবনের এই এলাকায়। সারা ভারতবর্ষের বিভিন্ন রোটার‍্যাক্ট এর কাউন্সিল সদস্যরা সমর্থন করলেন শ্রীজিতা।

দীর্ঘ ৫ দশক পরে সেরিকের (সাউথ ইস্ট এশিয়া রোটার‍্যাক্ট ইনফরমেশান সেন্টার) এই ইন্সটলেশান হল কলকাতার রোটারি সদনে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সহ বেশ কয়েকটি দেশের রোটার‍্যাক্ট সদস্যরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *