পশ্চিমবঙ্গ বাস্কেটবলে পিছিয়ে থাকার কারন জানালেন- মার্কিন কোচ

স্পোর্টস ডেস্কঃ দীর্ঘ ৩৪ বছর পরে জাতীয় স্তর বাস্কেটবল টীমে সুযোগ পেয়েছেন বাংলা থেকে মধু কুমারি। ৩৪ বছর আগে পেয়েছিলেন অপর্ণা ঘোষ। এতটা বছর চলেগেলেও কেন একটা ঠিকমতো দল তৈরি করা তো দূরের কথা একটা প্লেয়ার তৈরি করতে পারলনা বাংলা। আপামর বাঙালি থেকে শুরু করে সারা ভারতবাসীর প্রশ্ন হয়ত এটাই। তাই বাংলার বাস্কেটবলের উন্নতির জন্য ন্যাশনাল বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশানের কোচ কোরি বালু এসে কোচিং করালেন স্কুল লেভেলের কোচেদের। এবং বাস্কেটবলে উন্নতির জন্য পরিকাঠামো এবং টাকটিক্যাল এবিলিটির উপর বিশেষ জোর দেওয়া দরকার বলে জানালেন মার্কিন কোচ।

রাজ্য বাস্কেটবল সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত দুদিনের প্লেয়ার্স এবং কোচেস ক্লিনিকের প্রথম দিনে খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রায় ঘন্টা দুয়েক সময় কাটালেন এনসিসিএ এবং ইবিএ এর প্রাক্তন তারকা কোরি বালু। এনবিএ(ন্যাশনাল বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশান) তে বাস্কেটবলের ক্ষেত্রে যে যে টেকনিক্যাল ও ট্যাক্টিক্যাল দিক গুলো মেনে চলা হয়, সেই বিষয় গুলি সম্পর্কে খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিস্তর আলোচনা সারলেন তিনি।

বিশেষ করে, পাসিং, অফেন্সিভ মুভমেন্ট এবং স্পেসিং, এই তিনটি প্রাথমিক টেকনিকের ওপর জোড় দেন বালু। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নবনিযুক্ত এবং সংযোজিত নতুন নিয়ম সম্পর্কেও এদিন খেলোয়াড়দের সচেতন করা হয়। সঙ্গে ছিলেন বালুর সহযোগী ম্যাক্স স্ট্রোহমান(Max Strohman)। এছাড়াও এদিন সাই এর পূর্বাঞ্চলীয় শাখার বাস্কেটবল কোচ তীর্থেস গুহ এবং আলোক কুমার বন্দ্যোপাধ্যাযের তত্ত্বাবধানে কোচেস ক্লিনিকের ওপরও বিশেষ করে জোড় দেওয়া হয়। স্কুল এবং রাজ্য স্তরে কোচিং এর ক্ষেত্রে নানান খামতির জন্য জাতীয় পর্যায়ের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে বাংলার খেলোয়াড়দের অনেক সমস্যা হয়। বাংলা থেকে জাতীয় পর্যায়ে সাপ্লাই লাইন তলানিতে ঠেকেছে। রাজ্য সংস্থার কর্মকর্তাদের দাবী অনুযায়ী, নিয়মিতভাবে কোচেস ক্লিনিকের আয়োজন করলে আগামীদিনে বাংলার ভাগ্য বদল হলেও হতে পারে।  ক্লিনিকের প্রথম দিন শহরের 32টি স্কুল থেকে প্রায় 60 জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেছিল। উপস্থিত কোচের সংখ্যা ছিল প্রায় 40।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *