চোখ ধাঁধানো হ্যাটট্রিক মেসির। জয় বার্সেলোনার

স্পোর্টস ডেস্কঃ দ্য গোট অফ ফুটবল। দ্য মেজিশিয়ান। মেসি মানেই এই শব্দ গুলো যেন প্রচলিত। আর রবিবার রাত্রে রিয়াল বেতিসের বিরুদ্ধে ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিক দেখার পর মেসির অনেক ফ্যান ফলোয়ান্স নাকি সেই রাত্রে ঘুমাতেই পারেনি, এমনই সব খবর আন্তর্জাতিক মহলের। এবং মেসির এই তিনটি গোলের পর একটা কথা না বললেই নয় মেসি সম্বন্ধে, তা হল ম্যাজিক, ম্যাজিক, এবং ম্যাজিক। মেসির এই তিনটি গোল দেখে অনেক ফুটবলারই এই একটাই কথা তিনবার ব্যবহার করেছেন।

প্রথমার্ধ থেকে শুরু করে গোটা দ্বিতীয়ার্ধে রিয়ালের প্রাধান্য থাকলেও বার্সার কড়া ডিফেন্স টপকে গোল দিতে সক্ষম হয়নি তারা। প্রথমার্ধে চোখ ধাঁধানো ফ্রি কিকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিওনেল মেসি। ম্যাচের বয়েস তখন মাত্র ১৭ মিনিট। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে আবারও গোল করেন এল এম টেন। মেসির দ্বিতীয় গোলটি করার পর একটা কথা খুব স্পষ্ট যে মেসি একা একটা সৈন্য দলের সমান। রিয়ালের তিন প্লেয়ার এবং গোলকিপার ট্যাকেল করেও গোল আটকাতে পারেনি। অন্যদিকে একাধিক সুযোগ নষ্ট করে রিয়াল বেতিস। গোলের সামনে ওয়ান ইস টু ওয়ানে সুযোগ নষ্ট করে রিয়াল বেতিস প্লেয়াররা।

প্রথমার্ধে বার্সা ২-০ গোলে এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে বার্সা তেমন ভাবে কোনও আডভ্যান্টেজ নিতে পারেনি। রিয়াল প্লেয়ার দ্বিতীয়ার্ধেও একাধিক আক্রমণ শানায় বার্সার ডিফেন্সে। তবে বার্সার ডিফেন্স লাইন এদিন যথেষ্ট ভালো থাকায় সেভাবে সুবিধা করে উঠতে পারেনি রিয়াল বেতিস প্লেয়াররা। ৮২ মিনিটে বেতিসের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন লরেন মোরন।

এদিন ম্যাচে একাধিক সুযোগ নষ্ট করেন লুইস সুয়ারেজ। নইলে এদিন মেসির পাশাপাশি সুয়ারেজও হ্যাটট্রিক করতে পারতেন। ওয়ান ইস টু ওয়ানে সুযোগ নষ্ট করেন এই উরুগুয়েন স্ট্রাইকার। যদিও ৬৩ মিনিটে গোল করেন তিনি। ৮৫ মিনিটে দলের হয়ে শেষ এবং নিজের ৫১ তম হ্যাটট্রিকটি করেন লিওনেল মেসি। ২৪ ম্যাচে ২৯ গোল করে ইউরোপের সেরা গোলদাতার তালিকায় এগিয়ে থাকলেন এল এম টেন। এদিন ম্যাচ জিতে ২৮ ম্যাচে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার শীর্ষে নিজের স্থান ধরে রাখল বার্সেলোনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *