বিলাতভূমে বিরাট বাহিনীর নিশ্চিত যাঁরা

বিশ্বদীপ ব্যানার্জি: আর মাত্র দিনকয়েক পরই ব্রিটেনের বুকে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ক্রিকেট দুনিয়ার বৃহত্তম কর্মযজ্ঞ। আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯। ১৯৮৩ এবং ২০১১ র পর টিম ইন্ডিয়ার তৃতীয় বিশ্বজয়ের অভিযান শুরু আগামী ৫ ই জুন। সাউদাম্পটনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে।  বিরাট কোহলির নেতৃত্বে, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনাল হারের পর থেকে তিন ফর্ম্যাটেই যেরকম কর্তৃত্ব বজায় রেখে চলেছে, তাতে আয়োজক ছাড়া একমাত্র ভারতকেই ট্রফির দাবিদার মনে করছেন সিংহভাগ বিশেষজ্ঞ।

তবে গোলাপে কাঁটাও রয়েছে। টপ অর্ডারের ধারাবাহিকতা কিংবা শামি-বুমরাহ-ভুবনেশ্বরের সম্মিলিত পেস আক্রমণ বা দলে তিন উইকেট কিপারের উপস্থিতি সত্ত্বেও অধিনায়কের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে অনেককিছুই। শেষ পর্যন্ত কারা কারা ঠাঁই পেতে পারেন শেষ পনেরোয়? পুরোপুরি নিশ্চিত ই বা কে কে? প্রথম একাদশের পাশাপাশি কতটা শক্তিশালী রিজার্ভ বেঞ্চ? 

 আসুন, অধিনায়ক থেকে শুরু করে একে একে চোখ রাখা যাক সম্ভাব্য বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সকল সদস্যের ওপর।

 সাল ২০০৮। বিরাট কোহলির অধিনায়কত্বে দ্বিতীয়বারের জন্য অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বসেরা হয়েছিল ভারত। দীর্ঘ ১১ বছর বাদে এবার সিনিয়র বিশ্বকাপেও দলের ব্যাটন তাঁর কাঁধে। ২০১৭ র শুরুতে দায়ভার গ্রহণের সময় থেকেই সীমিত ওভারে বিরাটের রেকর্ড রীতিমতো ঈর্ষণীয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনাল এবং গত গ্রীষ্মে ইংল্যান্ডে ভরাডুবি হলেও একদিনের সিরিজ জিতেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মাটিতে।

ব্যাটিংয়ের মূল স্তম্ভ ও তিনিই। যদিও নিজের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচেই শতরান সত্ত্বেও ২০১১ এবং ২০১৫ বিশ্বকাপ মিলিয়ে ১৭ ইনিংসে ৪১.৯৩ র গড় এবং ৮১.৮৭ র স্ট্রাইক রেটে ২ টি শতরান সহ করেছেন মাত্র ৫৮৭ রান; সর্বোচ্চ অ্যাডিলেডে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১০৭। অতীত খুব একটা কোহলি সুলভ না হলেও বৈতরণী পার করতে যে তিনিই মূল ভরসা, বলাই বাহুল্য। কাজটা যদিও একেবারেই সোজা নয়। প্রধান শত্রূরুপে দেখা দিতে পারে ইংল্যান্ডের আবহাওয়া। কিন্তু সাথে সাথে অধিনায়ক হিসেবে যুব এবং সিনিয়র— দুই বিশ্বকাপ হাতেই পোজ দেওয়ার এমন সুবর্ণ সুযোগই বা আর কজনে পায়? 

ক্রমশ…।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *