নিত্যপুজো এবং স্নান করাতে হয়। কোনো ব্যাঘাত ঘটলে গৃহস্থের বিপদ ডেকে নিয়ে আসে। কি কি কারনে বাড়িতে শিবলিঙ্গ রাখতে নিষেধ করা হয়?

নিউজ ডেস্ক: বাড়িতে কি শিবলিঙ্গ আছে? তাহলে সতর্ক হয়ে যান।কারন অনেকে মনে করে যে  মহাদেবকে  শুধুমাত্র একটু বেলপাতা দিলেই নাকি তিনি তুষ্ট হন। কিন্তু একদমই  তা নয় উল্টে মহাদেবকে তুষ্ট করাই সবচেয়ে কঠিন। এইজন্য শিবলিঙ্গ বাড়িতে রাখতে হলে তার আগে কিছু নিয়ম জেনে রাখা খুবই দরকার। এই নিয়মগুলি কি কি-

১.সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠিন বিষয় হল শিবলিঙ্গে প্রাণ-প্রতিষ্ঠা করা।কারন এই কাজটি যে কোনও পুরোহিত দিয়ে করানো যায় না।এইজন্য যে ব্রাহ্মণ প্রান প্রতিষ্ঠা করতে দক্ষ তাকে দিয়েই  প্রান প্রতিষ্ঠা করানো উচিত।

২. সঠিক নিয়মরীতি মেনে নিত্যপুজো এবং স্নান করাতে হয় শিবলিঙ্গকে। আর এতে কোনো ব্যাঘাত ঘটার মানে গৃহস্থের বিপদ ডেকে নিয়ে আসে। 

৩. প্রতিদিন শিব ঠাকুরকে ঘি মধু দুধ দই এবং গঙ্গা জল দিয়ে অভিষেক করাতে হয়। তবে যেখানে গঙ্গাজল পাওয়া যায় না সেখানে গঙ্গার জলের পরিবর্তে ডাবের জল ব্যবহার করা যায় এছাড়াও পঞ্চনদীর জলও ব্যবহার করা যায়। 

৪. বাড়িতে অশৌচ পড়লে ঠাকুর ছোয়া নিষেধ এমন ধারণারই প্রচলন রয়েছে আমাদের মধ্যে। কিন্তু যদি বাড়িতে শিবলিঙ্গ  থাকে তাহলে কখনো পুজো বন্ধ করা যায় না। তাই ওই সময় কোন পুরোহিত দিয়ে পুজো করাতে হবে কিংবা প্রতিবেশী দিয়ে পুজো করাতে হবে।

৫. শিবের পুজো করার সময় যেন কোন রকম কোন ভুল ত্রুটি না হয়। কারণ শিব বিন্দুমাত্র ত্রুটি সহ্য করেন না। সামান্য ত্রুটিতে রুষ্ট হয়ে যান তিনি। এইজন্য শিবলিঙ্গ বাড়িতে রাখার আগে অবশ্যই নিয়মকানুন সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.