সারাবছর বিস্কুট তাজা রাখতে সাহায্য করে। নুনের ব্যবহার কিভাবে করবেন?

নিউজ ডেস্কঃ রান্না ঘরে প্রায়শয় সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। বিশেষ করে অনেকদিন ধরে রেখে দেওয়া খাওয়ার গুলির ক্ষেত্রে।

গরমমশলাতেও সামান্য নুন দিয়ে বা চিনি মিশিয়ে রাখলে গন্ধও ঠিক থাকে আবার পরিমানেও কম লাগে।

নতুন চালের ভেতরে মাড় ঠাণ্ডা করে তাতে পরিমান মতো নুন অল্প খাবার সোডা ও কালো জিরে ভাল করে মিশিয়ে মোটা পলিথিন পেপারের ওপর পাঁপড়ের মত গোল গোল করে বেলে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। ঐ পাঁপড় চায়ের সাথে ভেজে খেতে দারুন লাগে।

সয়াবিন দানা রাত্রে ভিজিয়ে রেখে দিন বেটে দুধ কিংবা সরবত(ছেঁকে) তৈরি করবেন।ছিবড়ে ফেলে দেবেন।সেগুলি দিয়ে জিরে, আদাবাটা, পিয়াজকুচি, রসুনকুচি, কাচালঙ্কা, হলুদ করে খেলে স্বাদ ফিরে আসে।

দীর্ঘদিন ধরে শিশিতে মধু জমে গেলে গরম জলে মধুর শিশিতে ডুবিয়ে রাখুন।মধু গলে পরে ব্যবহারযোগ্য হয়ে যাবে।

গরমকালেও টমেটো খেতে ইচ্ছা করলে, টমেটো পিষে সেই পেষা বস্তুটা প্লাস্টিকের ওপর রোদে শুকাতে দিন।এরপর ওটাকে ভেঙে নিয়ে এয়ারটাইট বোতল রেখে দিন।যতদিন খুশি।একবারে নির্ভেজাল টমেটো পিয়ুরি।

সারা বছর সংরক্ষণের জন্য আচার তৈরি হলে বোতলে পোরার আগে বোতল ধুয়ে পরিষ্কার শুকিয়ে নেবেন।একটা কাপড় তেলে চুবিয়ে তা দিয়ে বোতলটা ভাল করে মুছে নেবেন।ছাতা পড়ার ভয় থাকবে না।আবার সাদা মলমলে ছোট থলি তৈরি করুন।তাতে সর্ষে ভরে মুখবন্ধ করে আচারের উপর রেখে শিশির মুখ শক্ত করে বন্ধ করুন।ছাতা পড়বে না।

সময় মত রসুনের খোসা ছাড়িয়ে তেলের মধ্যে ডুবিয়ে শিশিতে ভরে রাখুন।সময় মত বের করে রান্নার সময় দিয়ে দেবেন।তেলটিপ রান্না, আচার বা সেদ্ধ আনাজ কাজে লাগবে।আবার রসুনকে খোসা ছাড়িয়ে নুন আর ভিনিগার মাখিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন।বছরখানেক ব্যবহার করা যাবে।

বিস্কুট তাজা মচমচে রাখতে কৌটোর মুখ তো শক্ত করে বন্ধ করবেনই।তার মধ্যে যদি ছোট একটা নুনের পুঁটলি করে রাখেন তো খুব ভালো।কারন নুন নিঃশেষে সব আর্দ্রতা শুষে নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.