ওজন কমাতে সাহায্য করে। ক্যাপ্সিকামের অসাধারন ৭ টি উপকারিতা

নিউজ ডেস্কঃ ক্যাপসিকাম। সেভাবে বাঙালি বাড়িতে না দেখা গেলেও আজকাল প্রায়শয় চাইনিস খাওয়ারে এই বিশেষ সবজিটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এর স্বাদের পাশাপাশি এর গুনাগুণও প্রচুর।

১) ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে: ক্যাপ্সিকামে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহ দূরকারী উপাদানগুলি বিদ্যমান। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারি।ক্যাপসিকামে রয়েছে সালফার যৌগ, ক্যারোটেনয়েড লাইকোপেন  যা বিভিন্ন ধরণের ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এর মধ্যে বিদ্যমান সালফার কম্পাউন্ড যা গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার এবং এসোফেগাল ক্যান্সার নিরাময় করার ক্ষমতা রাখে।এছাড়াও লাইকোপিন প্রোস্টেট ক্যানসার, সার্ভিক্যাল ক্যানসার ও ওভারিয়ান ক্যানসার প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে।

)দৃষ্টিশক্তির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে: ক্যাপসিকাম দৃষ্টি সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি এবং বেটা ক্যারোটিন যা দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূর করে।ভিটামিন-এ যা  রাত্রিকালীন দৃষ্টির জন্য উপকারি।এবং ক্যাপসিকামে ক্যারোটেনয়েড থাকার কারণে, বয়স জনিত দৃষ্টিশক্তি হ্রাস বা ম্যাকিউলার ডিজেনারাইজেশনের সম্ভাবনা কমে যায়।ক্যাপসিকাম দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

৩)ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ ওজন কমাতে নিয়মিত ক্যাপসিকাম খাওয়া উচিত।কারন ক্যাপসিকামে উপস্থিত অ্যাক্টিভেটিং থার্মোজেনেসিস ওজন কমাতে সহায়তা করে।এছাড়াও হজম শক্তি উন্নত করার ক্ষমতা দ্রুত যা ওজন কমাতে সহায়ক।ক্যাপসিকাম দেহের বাড়তি ক্যালরি পূরণে সহায়তা করে।যা দেহের  উচ্চ চর্বি থেকে যে ওজন বৃদ্ধি পায়, তা হ্রাস করতে সাহায্য করে।

৪) কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা দূরতে সহায়তা করে:   ক্যাপসিকাম হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।ক্যাপসিকামে উপস্থিত লাইকোপেন না কার্ডিওভ্যস্কুলার নানা সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে এবং হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে  সহায়ক ক্যাপসিকাম।

) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে:ক্যাপসিকামের উপস্থিত ভিটামিন সি ও কে যা দেহের  রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে অনেকাংশে, যার ফলে বিভিন্ন ধরণের রোগ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব হয়।

) দেহে আয়রনের অভাব সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে: নিয়মিত ক্যাপসিকাম খেলে দেহে আয়রনের অভাব জনিত সমস্যা দূর যায়। ক্যাপসিকামে উপস্থিত প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা দেহের  আয়রন শোষণে সহায়তা করে। এছাড়াও এটি রক্তাল্পতার মতো রোগও প্রতিরোধ করে।

৭) হজম সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূর করে: ক্যাপসিকামের জুস হজম সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূর করে। এমনকি  পেটের পীড়া জনিত রোগ দূর করতে সহায়তা করে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা থেকে শুরু করে  পাকস্থলীর আলসার বা ঘা সারাতে ক্যাপ্সিকামের থেকে খুবই ভাল উপকার পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.