ধর্ষণের জন্য ২৬৩ বছরের সাজা

নিউজ ডেস্ক – সমাজে কোনো রকম অপরাধ ঘটলেই সর্বপ্রথম যে আইনের কাছে মানুষ ছুটে যায় সেটি হল পুলিশ। আইনের দ্বিতীয় স্তম্ভ রূপে মানা হয় পুলিশ প্রশাসনকে। কিন্তু এবার সেই আইনের রক্ষক স্বয়ং ভক্ষকের ভূমিকা পালন করল। একজন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে ৩৮টি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। 

জানা গিয়েছে ওকলাহামা শহরে কর্মরত ড্যানিয়েল হল্টজক্ল নামের এক পুলিশকর্মী থানায় বসে অন ডিউটিরত অবস্থায় বহু মহিলার সঙ্গে অশ্লীল কথাবাত্রা বলতেন। পরবর্তীতে সেই সকল মহিলাদেরকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতেন। তবে শুধু এই ঘটনা একবার নয় বহু বার করেছেন তিনি। যখন এমন বিকৃতি মস্তিষ্কের মানুষ কোন মহিলাকে ধর্ষণ করতেন তখন সেটিকে টেপ রেকর্ডারের  মাধ্যমে বন্দি করে রাখতেন। পরবর্তীতে সেই ভিডিও দেখিয়ে মহিলাদেরকে ব্ল্যাকমেইল করে তাদের বহুবার ধর্ষণ করতেন। নিজেদের অসম্মান আর লজ্জার ভয়ে কারো সামনে মুখ খুলতে পারেননি ধর্ষিত মহিলারা। 

তবে কথিত রয়েছে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। আক্রান্ত মহিলাদের মধ্যে একজন নাবালিকা নিজের আওয়াজ ওঠাও। প্রকাশ্যে থানায় এসে অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এরপর এই সামান্য এক নাবালিকার সাহস দেখে সমস্ত ভয় পেছনে রেখে এগিয়ে আসে প্রায় ৩৮ জন মহিলা। এরপরেই সকলে নিজেদের অভিযোগ দায়ের করলে মামলাটি আদালতে উঠলে বিচারক অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ঘোষণা করেন। তবে এমন এক নিকৃষ্ট সমাজের কীটকে সামান্য যাবত জীবন কারাদণ্ড দিয়ে ক্ষান্ত হননি বিচারক। পরবর্তীতে তিনি ২৬৩ বছরের সাজা শোনায়। বর্তমানে আজও জেলের এক কোনায় পচছে অভিযুক্ত প্রাক্তন পুলিশ কর্মী।

Leave a Reply

Your email address will not be published.