স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি মূত্রত্যাগ করলে সাবধান হন

 নিউজ ডেস্ক    –  একজন সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। যত প্রস্রাবের হবে ততো শরীর ডিটক্স হয়, সেক্ষেত্রে শরীর ভালো থাকে।  কিন্তু এবারে চিকিৎসকরা  জানাচ্ছেন ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া কোন স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি মূত্রত্যাগ করা কে চিকিৎসার ভাষায় ফ্রিকুয়েন্ট  ইউরিনেশন বলে। এক্ষেত্রে শরীরের বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে।  তবে ডাক্তারি ভাষায় বলা রয়েছে মহিলাদের ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় প্রস্রাব হয়। কিন্তু কেন এটি হয় এবার তার ব্যাখ্যা দিয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞান। 

১) ইউটিআই-এর কারণ  –  ইউটিআই এর পুরো কথা হল ইউরিনারি ট্র্যাক্ট  ইনফেকশন। সিংহভাগ শতাংশের মহিলাদের মধ্যে এই রোগটি খুবই সাধারণ হয়। যার কারণে  ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ আসে মহিলাদের।  

২) ওভার অ্যাক্টিভ ব্লাডার  – চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ওভার অ্যাক্টিভ ব্লাডার বা ওএবি  হলো এমন একটি অবস্থা যখন মহিলাদের মূত্রাশয়ের পেশী  অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠে। সেক্ষেত্রে যাদের এই  রোগটি দেখা যায় তারা রাতে দু’বারের বেশি প্রস্রাব করে থাকেন।

৩) ডায়াবেটিস –  ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষকে অসুস্থ করে তোলা। তবে এই রোগের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে ঘনঘন জল খাওয়া। স্বাভাবিকভাবে কোন ব্যক্তি বেশি জল পান করলে সে ঘন ঘন প্রস্রাবে যায়। তবে কোন ব্যাক্তির এই লক্ষণ থাকলে আগেভাগে ব্লাড সুগারের পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।  

৪) গর্ভাবস্থা সময়কালীন –  কোন মহিলার গর্ভস্থ চলাকালীন অধিক মূত্র হওয়া খুবই সাধারন ব্যাপার। কারণ প্রতিনিয়ত যখন মহিলাটির উদয় গ্রহটি ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে তখন মূত্রাশয়ের উপর একটি অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। মূত্রথলির উপর ক্রমবর্ধিত জরায়ুর চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘন ঘন প্রস্রাব হয় থাকে।  

৫) অধিক কফি পান করলে –  যখন কোন ব্যক্তি কপিজাতীয় এমন কোনো পানীয় পান করে থাকে তখন তার কিডনি গুলি বেশি পরিমাণে সোডিয়াম  লবণ ত্যাগ করে। যারা কারণে বারবার প্রস্রাব হওয়ার একটি প্রবণতা দেখা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.