পৃথিবী শেষ অংশ কোন দেশে গেলে দেখতে পাবেন?

নিউজ ডেস্ক সকলেই আমরা জানি পৃথিবীর আকৃতি অনেকটা কমলালেবুর মতো। অর্থাৎ উপর ও নিচের অংশটা চ্যাপ্টা কিন্তু দৈহিক বিশ্লেষণ করলে সেটি প্রায় গোলাকার। এই অসীম পৃথিবীতে বাস করে কয়েক কোটি মানুষ সহ প্রাণীকুল। তবে এই পৃথিবীর শেষ কোথায় সেটি সম্পর্কে অনেকেই অবগত নয়। কারণ এই কথাটি বাস্তব যে কোন কিছু শুরু থাকলে শেষ অবশ্যই নির্ধারিত। তাই এই বিষয়ে বহু বিচার বিশ্লেষণ করেও কোনো কূল-কিনারা পাননি বিশেষজ্ঞরা। আদতে পৃথিবীর শেষ বলে কোন অংশই নেই। কিন্তু তবুও কিছু বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী কয়েকটি দেশকে পৃথিবীর শেষ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সেই দেশ গুলি হল……..

১| ওয়েস্ট সাসেক্স: ইংল্যান্ডে অবস্থিত ওয়েস্ট সাসেক্স। এখানে প্রকৃতির দৃশ্য অতুলনীয় যার টানে প্রতিবছর ছুটে আসে পর্যটকেরা। অর্থাৎ বছরে বারোমাসই ভিড় লেগে থাকে এই শহরে। এছাড়াও পশ্চিম সাসেক্সের নিচে ও উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস রয়েছে প্রায় ২২০০০টি বাড়ি। কার্যত এই শহরকে অনেকে পৃথিবী শেষ বলে মনে করে।

২|ইয়ামান পেনিনসুলা: রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এই দেশ। কার্যত ইয়ামান কথাটির আক্ষরিক অর্থ হলো পৃথিবীর শেষ। আর পাঁচটি দেশের মতো এই দেশ ছিল সকলের কাছে অজ্ঞাত। তবে সম্প্রতি সেখানে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বহু মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। যদিও প্রাথমিক দিকে মৃত্যুর বিষয় সম্বন্ধে অবগত ছিল না কেউ। পরবর্তীতে বহু বিচার বিশ্লেষণ করে দেখা যায় সেই অঞ্চলের মিথেন গ্যাসের পরিমাণ এতটাই যার কারণে শ্বাস প্রক্রিয়া অচল হয়ে মৃত্যু ঘটতে মানুষের। সম্প্রতি এই দেশ সম্পর্কে পরিচিত হওয়ার পরে অনেকেই মনে করেন পৃথিবী শেষ অংশটি হলো এই দেশ। 

৩| বিচ হেড: ইংল্যান্ডের পূর্ব সাসেক্সের একটি জায়গা হল বিচ হেড। এই দুরারোগ্য পর্বতগাত্রটি হ’ল ব্রিটেনের সর্বোচ্চ চক সমুদ্রের খাঁড়াই অঞ্চল। এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে বিশ্বাস করা হয়। এটি অনেকের কাছে একটি সুইসাইড পয়েন্ট হিসাবেও পরিচিত।

৪| কেপহর্ন:চিলির কেপহর্ন ড্রাক প্যাসেজের উত্তর সীমানায় অবস্থিত এই শহরটি।  এই সেই জায়গা যেখানে অ্যান্টার্কটিক এবং প্রশান্ত মহাসাগর মিলিত হয়েছে। তবে মহাসমুদ্রে জাহাজ চালানোর বড্ড ঝুঁকি থাকে নাবিকদের। যার জন্য অনেক ক্ষেত্রে এখানে জাহাজ চালাতে বারণ করা হয়। 

কার্যত এই চারটি দেশ রয়েছে যাকে পৃথিবীর শেষ অংশ বলে অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা। যদিও এর কোনও সঠিক তথ্য বা বিষয়টি বৈজ্ঞানিক সম্মত ভাবে প্রমাণিত হয়নি এখনো। তবে আশা করা যায় পৃথিবী গোল হওয়ার কারণে তার কোনো শেষ অংশ অবশিষ্ট নেই। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.