দেবাদিদেব মহাদেব কেন বাঘের ছাল পরতেন?

নিউজ ডেস্কঃ ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর এই ত্রিদেবতাকে আমরা বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি কর্তা হিসাবে মনে করি।মহাদেবের পরনে বাঘের ছাল, মাথায় থাকা গঙ্গা-চন্দ্র, হাতে থাকা ত্রিশূল এবং ত্রিশূলে জড়ানো ডুমুর, ত্রিনয়ন, ও রুদ্রাক্ষ সবই আলাদা আলাদা অর্থ বহন করে থাকে।তাই জেনে নিন যে মহাদেবের এইসব জিনিসের তাৎপর্য।

দেবাদিদেব মহাদেব তার পরনে বাঘের ছাল। এর অর্থ হল যে বাঘের ছাল শক্তি প্রতীক।

শিবের মাথায় আমরা গঙ্গাকে দেখি। গঙ্গাকে হিন্দুশাস্ত্রে সব থেকে পবিত্র বলে মানা হয়। আর গঙ্গার জল ছাড়া পূজা হয় না।তাই পবিত্রতার প্রতীক হিসাবে শিবের জটায় গঙ্গা ধারন করেছিলেন।এবং শিবের জটায় গঙ্গার পাশাপাশি অর্ধ চন্দ্রকে দেখি।এই অর্ধ চন্দ্র হল চিরন্তন সময়ের ইঙ্গিতের বাহক অর্থাৎ প্রাচীন, বর্তমান এবং ভবিষ্যত এই সবেরই প্রতীক হিসাবে ধরা হয়।

মহাদেবের হাতের ত্রিশূল জ্ঞান, ইচ্ছা ও সমস্ত সদিচ্ছার প্রয়োগ হিসাবে ধরা হয়েছে। এছাড়াও এই ত্রিশূলকে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের প্রতীক হিসাবেও মনে করা হয়।

দেবাদিদেব মহাদেবের ত্রিনয়ন যাবতীয় অন্যায়, খারাপের বিরুদ্ধে এক শক্তির প্রতীক হিসাবে ধরা হয়। রুদ্রাক্ষ হল স্বচ্ছতার প্রতীক হিসাবে ধরা হয়।অনেক সময় মহাদেবের হাতে রুদ্রাক্ষ থাকে যাকে ধ্যান মুদ্রার প্রতীক হিসাবে ধরা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.