গ্যাস্ট্রিক থেকে বাঁচতে কি কি করা দরকার?

নিউজ ডেস্ক: গ্যাস্টিক বা অম্বল। ৮ থেকে ৮০ আজকাল সকলকেই এই সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। এই সমস্যার কারনে এর ওষুধ সবার বাড়িতেই থাকে কিন্তু এই ওষুধ খেলে অম্বলের সমস্যাতো মিটে যায়, কিন্তু ওষুধ ছাড়াই কীভাবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান করা যায় তা জানেন কি?

গ্যাস্টিক মূলত হয়ে থাকে ভেজাল খাবার, বিভিন্ন ধরনের তেল জাতীয় খাবার, ধূমপান বা প্রতিদিন অনিয়মে খেলে এর সমস্যা হতে পারে। আর যেই  খাবার গুলোর জন্য গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয় সেগুলি না খাওয়া, যেমন ‘লিচু’ যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা তাদের এই ফলটি এড়িয়ে চলাই ভালো।

গ্যাস্ট্রিক বা অম্বল কি জিনিস?

গ্যাস্টিক হলে পাকস্থলীতে বেশি এসিডের সৃষ্টি হয় অবশেষে আস্তে আস্তে বিভিন্ন সমস্যা দেখা যেতে পারে। গ্যাস্টিক হলে হজম শক্তি কমিয়ে দেয়। হজম করার জন্য অনেক অ্যাসিডের প্রয়োজন হয়। ফলে হাইড্রোজেন ক্ষরিত হয়ে ক্লোরিনের সঙ্গে মিশে হাইড্রোক্লোরিক এসিড তৈরি করে। গ্যাস্টিকের জন্য প্রচুর ওষুধ বেরিয়েছে বাজারে সেগুলো অনেক বেসরকারি ও বটে। সমস্ত লোকেরা গ্যাস্ট্রিক কমানোর জন্য ওষুধ প্রথমে  বেছে নেন, এই ওষুধ গুলোর মধ্যেই রয়েছে বিষ যা বেশি খেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানান চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া গ্যাস্ট্রিক ওষুধ  অনেক বিপদ হতে পারে।

গ্যাস্টিকের সমস্যা দেখা দিলে নাভির ওপরে পেট ব্যথা করে। ভোর বেলার দিকে এই গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা শুরু হলে বুক-পেট- গলা  জ্বলে যায় এবং টক ঢেকুর ওঠে।  ফাস্টফুড খেলে অনেকের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। আবার খাবার অনিয়ম করার জন্য গ্যাস্টিকের সমস্যা হতে পারে।

একটি ফল খেলে খুব বিপদ হতে পারে সেটি হলো ‘লিচু’। খালি পেটে বা ভরা পেটে অনেক লিচু খেলি গ্যাস্টিকের সমস্যা হতে পারে এবং হজমশক্তিও কমিয়ে দেয় বেশি লিচু খেলে।

৪ বছরের পর থেকে যে সকল বাচ্চারা আছে তারা লিচু খেতে পারে তাও অল্প। আর বড়দের ৫টি লিচু বেশি খেলে অসুবিধা দেখা যেতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক থেকে বাঁচতে কি কি করা দরকার

প্রতিদিন  সকাল- দুপুর- রাতে  নিয়মিত ভাবে খেতে হবে।

একবারে সকালে বেশি খাবার না খেয়ে পুরোদিনে অল্প অল্প করে খেতে হবে।

ধূমপান ও  মদ্যপান করা যাবে না।

রাতে ঘুমানোর দু’ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেতে হবে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়েই গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে হবে ঠিক তেমনি বমি বমি ভাব এবং  পেট খারাপ হলে নিজে থেকে ওষুধ  খাবেন না।

তেল-মসলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। ঘরোয়া খাবার খেয়ে সুস্থ থাকুন।

প্রতিদিন সকালবেলা উঠে তিনঘণ্টা করে ব্যায়াম করুন।

মানসিক চাপ কিংবা দুশ্চিন্তা গুলোকে মুক্ত করে ভালো থাকুন।

মাংস, বিরিয়ানি, চাওমিন, ফ্রাইড রাইস, মোগলাই এবং চাইনিজ খাবার গুলো দুপুর বেলার খাবারে রাখুন রাতের বেলায় কিছু শাক-সবজি,মাছ হালকা খাবার খেয়ে নিতে হবে।

খাওয়ার আগে নিয়মিত এক গ্লাস জল খেয়ে তার পর খাবার খাওয়া উচিত।

দিনে কিংবা রাতে তাড়াতাড়ি খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়াটা উচিত নয়।  কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করার পর ৩০ মিনিট পর ঘুমানোর প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.