একাধিক রোগ প্রতিরোধ করে। মুরগির মাংসের অসাধারন ৭ টি উপকারিতা

নিউজ ডেস্কঃ শরীর গরম রাখতে বেশি পরিমাণে মাছ মাংস খেয়ে থাকি। গৃহপালিত পাখিদের মধ্যে অন্যতম হল মুরগি। মুরগির ডিম এবং মাংস হল প্রোটিনের এক বিরাট উৎস। পাশাপাশি মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে।

মুরগির মাংস আমাদের প্রাত্যহিকভাবে প্রোটিন সরবরাহ করে থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম মুরগির মাংসে ১৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা আমাদের পেশি গঠনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

মুরগিতে শুধু প্রোটিন নয় এছারাও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ থাকে।

মুরগির মাংসে প্রাপ্ত ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান গুলি হচ্ছে ভিটামিন সি, থায়ামিন, রিবোফ্লাবিন, নিয়াসিন, ভিটামিন বি ৬, ফোলেন, ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন এ, ই, ডি কে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং সোডিয়াম থাকে।

এগুলি একাধিক রোগ প্রতিরোধ করে। যেমন ভিটামিন বি চোখের ছানি, ত্বকের সমস্যা রোধ করে। রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, দুর্বলতা দূর করে, হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং স্নায়ুতন্ত্র সুস্থ রাখে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে মুরগির মাংস। শুনতে অবাক লাগলেও একথা সত্যি যে, যেসব খাওয়ারে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, সেসব খাওয়ার ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে। মুরগিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, এবং এক রিপোর্টে দেখা গেছে যে মুরগির মাংস যারা প্রতিনিয়ত খায় তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

আফ্রিকা এবং অ্যামেরিকাতে এক পরীক্ষাতে দেখা গেছে যে মুরগির মাংস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমান কমানোর জন্য অ্যামেরিকার হার্ট অ্যাসোসিয়েশান এই মুরগি এবং মাছ খাওয়ার কথা বলে। কারন এক রিসার্চে দেখা গেছে যে নিয়মিত মুরগির মাংস এবং মাছে খেলে শরীরে কোলেস্টেরল কমায় এবং হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে থাকে। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণে মুরগির মাংস খাওয়া উচিৎ। বেশি খেলে তা শরীরের একাধিক ক্ষতি সাধন করে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.