যৌনকর্মীর বদলে পুতুল ব্যবহার করে ইউরোপের কোন দেশ?

ইটালির টুরিন শহরটির নাম হয়ত অনেকেই শুনেছেন। এই শহরটি মূলত বিখ্যাত গাড়ি এবং চকলেটের জন্য। তবে সম্প্রতি এই শহরটি শিরোনামে এসছে অন্য এক ঘটনার জন্য। সম্প্রতি এই শহরে তৈরি হয়েছে এমন এক যৌনপল্লী যা সৃষ্টি করেছে তীব্র বিতর্কের।এটুকু শুনে নিশ্চয়ই ভাবছেন যে যৌনপল্লী তো সব দেশেই থাকে এতে বিতর্কের কি হলো? তাহলে জানলে অবাক হবেন যে এই যৌনপল্লীতে নারী যৌনকর্মীর পরিবর্তে রয়েছে সেক্স ডল।আর অদ্ভুত ব্যাপার হল চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এটি ব্যবসাও করছে বেশ ভালোই।

এই জায়গার বিশেষত্ব ই হল যে এখানে নারী যৌনকর্মীর পরিবর্তে আছে যৌন পুতুল বা সেক্স ডল, আর এই পুতুলগুলোর টানেই এখানে আসে খদ্দের।এই যৌনপল্লীর প্রতিটি কক্ষে আছে একটি করে বিছানা এবং হালকা লাল আলো জ্বলে এই ঘর গুলোয়। এছাড়া এই রুমের ভেতরে আছে শাওয়ার,টেলিভিশন ও একটি করে সেক্স ডল।

একাধিক আন্তর্জাতিক সূত্রের মতে মোট ১২টি পুতুল আছে সেখানে। এখানেই শেষ চমকে শেষ নয়, জানলে অবাক হবেন প্রতিটি পুতুলের চুলের স্টাইল, দেহের গঠন, এমনকি পরনের পোশাকও আলাদা।

এই পুতুল তৈরি সিলিকন দিয়ে। পুতুল হলেও দেখতে কিন্তু একেবারে জীবন্ত এরা।

যৌনপল্লীর এক কর্মকর্তার মতে, তারা এখানে এখানে ম্যাজিক বিক্রি করছেন।

পুতুলের এই যৌনপল্লীটি চালান এক মহিলা। বয়স তার পঞ্চাশের কোঠায়। নিজের নাম প্রকাশ না করলেও তার মতে তিনি  আইন মেনেই এই ব্যবসা চালাচ্ছেন।

“অবশ্যই এখানে সবকিছু বৈধ, আইন মেনেই করা হচ্ছে।” বলেন তিনি।

তবে একজন সত্যিকারের রক্তমাংসের মানুষের পরিবর্তে একটা পুতুলকে কেন বেছে নিচ্ছেন এখানকার খদ্দেররা? সেই প্রশ্নের ও পাওয়া গেছে উত্তর। এক খদ্দের মতে, “একজন যৌনকর্মী একজন সত্যিকারের মানুষ। আপনি দেখতে কেমন, আপনি কি কল্পনা করেন, সেসব নিয়ে সে হয়তো আপনাকে বিচার করবে। কিন্তু একটা পুতুলের ক্ষেত্রে তার বালাই নেই। তখন আমাকে কেবল নিজের তৃপ্তির কথাটাই ভাবতে হবে। নিজেকে অনেক বেশি ভারমুক্ত মনে হবে।”

তবে কি সেক্স ডল অচিরেই যৌনকর্মীদের জায়গা নিয়ে নেবে?বিশেষজ্ঞদের মতে এখনই সেরকম কোনো সম্ভাবনা না থাকলেও ভবিষ্যতে হয়তো সত্যিই সেক্স ডল এক কম্পিটিশন তৈরি করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.