কোন দেশে অতৃপ্ত আত্মারাই এগিয়ে আসে মাঝিদেরকে সাহায্য করতে?

নিউজ ডেস্কঃ আমাদের চারপাশে প্রায়ই নানা ভৌতিক ও রহস্যময় ঘটনা ঘটার কথা শুনতে পাওয়া যায়।তার মধ্যে কিছু কিছু রহস্যের সমাধান বিজ্ঞান করতে পারে আর কিছু কিছু রহস্য এমনও থেকে যায় যার ব্যাখ্যা বিজ্ঞান ও দিতে পারে না ।আর সেই রহস্যাবলি মানুষের মনে সৃষ্টি করে এক অজানা ভয়ের। আজ আপনাদের জানাবো আমাদের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের এমন ই এক রহস্যময় জায়গার কথা।বাংলাদেশের সুন্দর পার্কি বিচ কে ঘিরে শোনা যায় নানা রহস্যময় গল্প । ৩০০-৩৫০ ফিট চওড়া এবং ২০ কিলোমিটার ঝাউবনযুক্ত এই সৈকতটির সৌন্দর্য এমনই অতুলনীয় যে মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে এমন একটি সুন্দর জায়গায় এমন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে কি করে ?    

কিন্তু এমন সুন্দর জায়গাটি কিন্তু বাংলাদেশের সবথেকে ভয়ঙ্কর ভৌতিক জায়গা গুলোর মধ্যে অন্যতম ।এই সমুদ্র সৈকত কে কেন্দ্র করে প্রায়ই শোনা যায় নানা হাড়হিম করা গল্প। পর্যটকদের মতে সন্ধ্যের পর থেকেই এখানে শুরু হয় নানা ভৌতিক কাণ্ড ।কখনো হঠাৎ করে শোনা যায় অদ্ভুত পদ শব্দ কখনও বা ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর চিৎকার ও ভুতুড়ে আওয়াজ ।

অনেক অবিশ্বাসী লোক ভূত নেই তা প্রমাণ করার জন্য কৌতুহলবশত ওই সমস্ত শব্দের উৎস খুঁজে বের করার প্রবল চেষ্টা করলেও অদ্ভুতভাবে সেই শব্দের কোন উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এর ফলে এই সমুদ্র সৈকত কে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয় আরো প্রবল হয়ে উঠেছে । প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে অনেক সময় মনে হয় শব্দগুলো যেন জলের গভীর থেকে উঠে আসছে আবার পরক্ষনেই মনে হয় শব্দ গুলো যেনো পার্শ্ববর্তী বন থেকে আসছে । স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস ওই আওয়াজ গুলি সমুদ্রতটে ভ্রাম্যমান পর্যটকদের সমুদ্রে জলে  আকর্ষণ করতে থাকে।

সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে যাওয়া অনেক পর্যটক জানিয়েছেন যে সূর্যাস্তের পরে প্রায়ই নাকি অশরীরী আত্মার উপস্থিতি অনুভূত হয় সেখানে। কেবল মনে হয় কোন অশরীরি যেন নজর রাখছে। অনেক পর্যটক এরকমও জানিয়েছেন যে মনে হচ্ছিল অদৃশ্য কেউ যেন তাদের অনুসরণ করে পেছনে পেছনে আসছে। তবে আজ অব্দি ওই সমুদ্রসৈকতে ক্ষতি হয়নি কারোও।

তবে শুধু সমুদ্রসৈকতে নয় ,সমুদ্রের নৌকা নিয়ে যাওয়া জেলেদের মধ্যেও অনেকে নানা অস্বাভাবিক কাণ্ডকারখানা ঘটার কথা জানিয়েছেন। অনেকেই দাবী করেছেন যে গভীর সমুদ্রে এক বয়স্ক নাবিককে দেখেছেন তারা। এছাড়াও কখনো কখনো  একজন বা অনেককে নৌকাসহ গভীর সমুদ্রের এগিয়ে যেতে দেখা যায়। কিন্তু কেন এখানে এরকম ভৌতিক কাণ্ডকারখানা ঘটে তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে একটি কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। স্থানীয়দের মতে সাইক্লোনের সময় নৌকা পাড়ে নিয়ে আসতে ব্যর্থ হওয়া যে সমস্ত মাঝি বা নাবিক সমুদ্রে ডুবে মারা যান তাদের আত্মায় এই সমুদ্রসৈকতে এখনো ঘুরে বেড়ায়  । 

Leave a Reply

Your email address will not be published.