ভিনগ্রহে কি সত্যি জীব রয়েছে? কি বলছে জ্যোতিষ শাস্ত্র?

নিউজ ডেস্ক –  পৃথিবীতে মানুষ ছাড়া অন্য গ্রহের এলিয়েন কিংবা কিছু অন্য প্রজাতির প্রাণ রয়েছে তা নিয়ে রীতিমতো  ধন্দে গোটা পৃথিবী। কিন্তু সম্প্রতি ভিনগ্রহীদের যে অস্তিত্ব রয়েছে তাব প্রমাণ হয়েছে জ্যোতিষ বিজ্ঞানে। মূলত প্রমাণিত তথ্যটি প্রকাশ হতেই কৌতুহল দেখা দিয়েছে গোটা দেশবাসী।  

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে ভিনগ্রহীদের সভ্যতা কম করে হলেও রয়েছে ৩৬টি । এমতাবস্তায় ভিনগ্রহীদের সঙ্গে সংলাপ করতে গেলে মানবসভ্যতাকে অন্তত ৬ হাজার ১২০ বছর টিকে থাকতে। 

অন্যদিকে দা অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল পত্রিকায়  প্রকাশিত হয়েছে যে, শতাব্দি পূর্বের  ষাটের দশক থেকে ভিনগ্রহীদের তল্লাশি শুরু করেছে বিজ্ঞানীরা। কিন্তু শুধুমাত্র শূন্যে হারানোর মতো পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ছিল বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু ব্রহ্মান্ডে মানবজাতির নাগালের মধ্যে ভিনগ্রহীদের অন্তত একটি সভ্যতা রয়েছে এটি প্রমাণিত করেছেন জ্যোতিষ বিজ্ঞানীর ফ্রাঙ্ক ড্রেক। ১৯৬১ সালে এই বিষয়ে তল্লাশি শুরু করে ফ্র্যাঙ্ক। দীর্ঘ খোঁজো তল্লাশির পর গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে কোন পদ্ধতির মাধ্যমে ভিনগ্রহীদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পন্ন করা যেতে পারে সেই বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন ড্রেক। মূলত সেই তথ্য ড্রেক ক্যালকুলেশন নামে পরিচিত। তবে সেই ইকুয়েশনের সমস্যা ছিল তার সমাধানের ফলাফলের ব্যাপকতা অনিশ্চয়তা।  এই সমীকরণ অনুযায়ী ভিনগ্রহীদের কোন সভ্যতা যেমন নাও থাকতে পারে তেমন অমন সভ্যতার সংখ্যা কয়েক শ’ কোটি হতে পারে। পাশাপাশি ভিনগ্রহীদের সভ্যতা এতটাই উন্নত হতে পারে যা দেখে অবাক হয়ে যাবে মানব সভ্যতা। 

বর্তমানে ড্রেক  ইকুয়েশন মানুষের কৌতূহল আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। আর সেটা করতে গিয়ে গবেষকরা দেখেছেন এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে পৃথিবীর মতো অন্যান্য গ্রহের মতো অস্তিত্ব রয়েছে বুদ্ধিমান প্রাণীদের।  বুদ্ধিমান প্রাণীর জন্ম ও বিকাশের প্রক্রিয়া যদি বিজ্ঞানসম্মত হয় কিংবা তাদের যদি অন্য কোনো নিয়মের উদ্ভব না হয় তাহলে ভিনগ্রহীদের আরো অনেক সভ্যতা রয়েছে। বরং পৃথিবীতে প্রাণের বর্তমানের নিয়ম মেনে চললে তারা অনেকটা মানুষের মতই হবে। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে এমন চারটি থেকে ২২১টি সভ্যতা দেখা গিয়েছে। তাদের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতেই পারে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে মানুষের থেকে উন্নততর ও বুদ্ধি সম্পন্ন ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব রয়েছে কম করে প্রায় ১৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে। সুতরাং সেই ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে আরো বেশ কয়েকটি প্রজন্ম প্রয়োজন হবে বিজ্ঞানীদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.