সমুদ্রের নীচে ৫ হাজার বছরের পুরনো বিষ্ণু মন্দির। এখন কোন অবস্থিত?

পৃথিবীর নীচে শহর আছে। একাধিক গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। সেভাবে অনেকে এই নিয়ে খোঁজ না নিলেও একাধিকবার দাবি করা হয়েছে।

১) Undar water sculpture park: এই মিউজিয়ামটি আন্ডারওয়াটার প্রটেক্টর মেরিন সি তে দেখতে পাওয়া যায়।ব্রিটিশ আর্টিস জেনেস টেইলরের বানানো এই মিউজিয়ামের মূর্তিগুলি মাধ্যমে একটি বার্তা দিতে চেয়েছিলেন যে মানুষ জল থেকেই সৃষ্টি হয়েছে এবং মানুষের জীবন জলের উপর নির্ভরশীল।২০০৫ সালে এই মিউজিয়ামটি দেখার জন্য জনগণের প্রবেশেধিকার দেওয়া হয়।এটি ছিল সমুদ্র থেকে ৫ মিটার গভীরে অবস্থিত।

২) Status of Jesus Christ: ফ্লোরিডার সমুদ্রের নিচে এই মূর্তিটি ২০০৯ সালে স্টিফেন নামের এক ব্যাক্তি প্রথম দেখতে পান। তারপর সে মিডিয়া ও পুলিশকে জানান।এবং খোঁজখবর নিয়ে যান যায় যে ১৯৫৪ সালে ওখানে ডিলু মেথরড নামের এক বিখ্যাত ড্রায়ভারের মৃত্যু হয়।যার স্মৃতিতে তার বন্ধুরা ওখানে এই মূর্তিটি বানিয়ে ছিলেন।

৩) The Lion city: চাইনার ১৯৫৭ সালে বানানো একটি হাইড্রো ইলেকট্রিক পাওয়ার স্টেশন জন্য এই শহর ১৩০ ফুট গভীরে ডুবে যায়।যার ফলে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষকে তাদের ঘর ছাড়তে হয়েছিল।এই শহরের সীমানা ছিল ৫৩০ বর্গ কিলোমিটার।

৪) Visnu Temple: ইন্দ্রনেশিয়ার বালিতে অবস্থিত একটি বিষ্ণু মন্দির যা সমুদ্রের ৯০ ফুট গভীরে বানানো। বলা হয়ে থাকে যে এই মন্দিরটি ৫ হাজার পুরনো। এবং সমুদ্রের জল বেড়ে যাওয়ার ফলে এই মন্দিরটি জলে নিচেই অবস্থিত।

৫) Lighthouse of Alexandria: ইজিপ্টের একটি শহরে অবস্থিত একটি লাইটহাউসে বানানো হয়েছিল যার উচ্চতা ছিল ২০ মিটার এবং এটি বানাতে ২০ বছর লেগে গিয়েছিল। তৃতীয় শতাব্দীতে ওই লাইটহাউসের মাধ্যমে সামুদ্রিক জাহাজগুলিকে নির্দেশনা দেওয়া হত।তবে একটি ভয়াবহ ভূমিকম্পের মাধ্যমে এটি ভেঙ্গে সমুদ্রে নিচে চলে যায়। যার ধ্বংসাবশেষ এখন ওই সমুদ্রেই রয়েগিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.