রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুন কাজ করে। ফল খাওয়ার অসাধারন ৫ টি উপকারিতা

নিউজ ডেস্কঃ আমাদের মধ্যে একটি কথা খুবই প্রচলন রয়েছে যে খালি পেটে জল ভরা পেটে ফল।এক কথায় বলতে গেলে এর মানে এসে দাড়ায় যে খালি পেটে ফল খাওয়া উচিত নয় এবং এই সময় ফল খাওয়া উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি।তবে সত্যি কি তাই নাকি এই ধারনাটি পুরোটা ভুল? এবার তাহলে জেনে নিন যে প্রতিদিন সকালের টিফিনে ফল খেলে কী হয়-

. উপোসের পরে ফল খাওয়া উপকারিঃ  সারা রাত উপোস করার পর সকাল বেলা ফল খাওয়া উপকারি কারন এই ফল খেলে যেমন হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে ঠিক তেমনি ফল হজম হতে  সময় লাগে না যার ফলে বদহজমের মতো সমস্যা হওয়া সম্ভবনা কমে।

. শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: ফলে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রকৃতিক শর্করা যা  রক্তের সাথে মেশার পর শরীরের বিভিন্ন ধরনের কাজ যেমন- শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতাবাড়ায়,মস্তিষ্কে সজাগ করে তোলে যার ফলে সার্বিকবাবে শরীরের সচলতা বৃদ্ধি পায় ইত্যাদি করে।

. ওজন কমাতে সাহায্য করে: বর্তমান দিনে ওজন নিয়ে প্রায় মানুষই চিন্তিত এবং তার জন্য নানা ধরনের কাজ করে থাকেন।তাই ওজন কমানোর জন্য যা যা করে থাকে সেই তালিকাতে নিয়মিত ব্রেকফাস্টে ফল খাওয়ার অভ্যাস যুক্ত করুন।কারণ ফলের মধ্যে রয়েছে একাধিক পুষ্টিকর উপাদান যা শরীরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দিয়ে ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে তার পাশাপাশি  অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে যার ফলে ঘন ঘন খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়।

. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে তোলেবেশিরভাগ ফলের মধ্যে থাকে নানা উপাদান যেমন- ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান যা আমাদের শরীরের মধ্যে  শক্তি এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।যার ফলে কোনো সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৫. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়: ব্রেকফাস্টের  ফল খাওয়া খুবই উপকারি। কারণ নিয়মিত খালি পেটে ফল খেলে শরীরে উপকারি ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেলের মাত্রা বাড়তে শুরু করে যার ফলে আমাদের শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ হ্রাস পায় এবং আমাদের শরীরের  ব্লাড প্রেসার  নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে। আর এই জন্য হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.