হনুমান এবং শেশ নাগের মধ্য কেন যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ?

নিউজ ডেস্কঃ পাবন পুত্র হনুমান যার ক্ষমতার পরিচয় আমরা রামায়নে পেয়েছি এবং তিনি ছিলেন মহাদেব শিবের অবতার।যিনি রাবনের লঙ্কা বিনষ্ট করতে রামকে সাহায্য করেছিলেন।অন্যদিকে বলরাম যিনি ছিলেন শেশ নাগের অবতার ছিলেন এবং তার শক্তি সম্পর্কেও আমরা জানি।কিন্তু এই দুই শক্তিধরের সাথে কেন যুদ্ধ হয়েছিল? জানুন কেন ঘটেছিল হনুমান এবং বলরামের মধ্যে যুদ্ধ।

একসময় কৃষ্ণের দ্বারকা নগরিতে বলরামের একটি সুন্দর বাধিকা তৈরি করেছিলেন যার তার খুব প্রিয় ছিল।একদিন সেই বাধিকাতে একটি বৃদ্ধ বানর ঢুকে পরেছিল এবং সেই বাধিকা থেকে ফল ছিড়ে ছিড়ে খাচ্ছিলেন এবং আকারেও এই বানরটি খুবই বড়ো ছিল।এটি দেখে বাধিকার রক্ষকরা ভয় পান এবং বলরামের কাছে এসে জানান। বলরাম সব শুনে বাধিকায় যান এবং ওই বানরটিকে দেখেন।বানরটিকে দেখে বলরাম বুঝতে পেরেছিলেন যে ওই বানরটি একটি সাধারন বানর নয় কোনো মায়াবী বানর।তারপর বলরাম ওই বানরটির পরিচয় জানতে চান কিন্তু কোনো উত্তর দেন না ওই বানর যাতে খুবই ক্রোধিত হয়ে যান বলরাম।তারপরেই শুরু হয় হনুমান এবং বলরামের যুদ্ধ।বলরামের ওই বানরের ওপর প্রয়োগ করা সব অস্ত্রই বিফলে যায়।এরফলে বলরাম আরও ক্রোধিত হয়ে যান এবং তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি তার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র প্রয়োগ করবে।আর এটি দেখে ওখানে উপস্থিত হন শ্রীকৃষ্ণ।শ্রীকৃষ্ণ ওখানে গিয়ে বলরামকে বলেন যে এই বানর আসলে হনুমান যে তাদেরকে পূর্বজন্মে সাহায্য করেছিলেন এবং পরে বলরামের পূর্ব জন্মের কথা মনে পরে যায় এবং হনুমানকে চিনতে পারেন।এরপর হনুমান বলেন যে তিনি যা করেছেন তা শ্রীকৃষ্ণের আদেশে করেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.