বাইরেটা শক্ত থাকলেও হিটলার নাকি আসলে সত্যিকারের নরম প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। কেন একথা বলা হচ্ছে?

নিউজ ডেস্ক – হিটলার  যার পুরো নাম এডলফ হিটলার। এই নাম শুনলেই এক আতঙ্ক সৃষ্টি হয় সব মানুষের মধ্যে। কারণ নিজের আধিপত্য চলাকালীন বহু মানুষকে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছিল মানুষরূপী রাক্ষস হিটলার। সেই হিটলারের জন্ম স্থান অর্থাৎ বাড়িটিকে এবার  পুলিশ স্টেশন বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেখানকার সরকার।

জার্মানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওলফগ্যাং পেশকর্ন সম্প্রতি ওই ব্রুনাউতে অবস্থিত এই বাড়িটির  মালিককে তার  পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থ দিয়ে বাড়িটি কিনে সেটিকে পুলিশ স্টেশন বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে বাড়ির মালিক সরকারি আর্থিক গ্রহণ করার পরেও বাড়ির জন্য বেজায় কম টাকা দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ এনে  সরকারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন। কিন্তু হাইকোর্টের সকল তথ্যাদি বিচার-বিশ্লেষণ করে সেরকম কোনো ভুল ত্রুটির না দেখায় কিছু মাস আগে সেই আর্জি খারিজ করে দেয় আদালত। তবে এডলফ হিটলারের বাড়িটিকে সহকারি পুলিশ স্টেশন বানানোর পেছনে এক বিশেষ কারণ রয়েছে গভর্মেন্টের।

জানা যায় হিটলার মৃত্যু গ্রহণ করার পরেও তার ভক্তরা নিত্যদিন বাড়ির সামনে ভিড় জমায় তার  স্মৃতিসৌধ বাড়িটিকে দেখতে। তবে পরবর্তীতে যাতে হিটলারের মতধরা পোষণ করে কোন হিটলারি নীতি বা নাৎসি সংগঠন গড়ে না ওঠে সেই কারণে পুলিশ স্টেশন বানানোর এই সিদ্ধান্ত সরকারের।  যার কারণে ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেই নজরদারি রাখা হচ্ছে বাড়িটির প্রতি। তবে এডলফ হিটলারকে সকলেই অমানবিক ব্যক্তি হিসেবে জানলেও এই কঠোর সত্যের পেছনে এক কোমল হৃদয় ছিল হিটলারের। সেটির বিষয়ে অবগত নয় বহু মানুষ। তবে এডলফের ভক্তরা যারা গভীরভাবে হিটলারকে অনুভব করেছেন এবং তার সম্পর্কে জেনেছেন তারাই একমাত্র বুঝতে পারবেন নারকেলের প্রতিরূপ ছিল হিটলার। যার বাইরেটা কঠিন কিন্তু ভেতরটা নরম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.