বিবাহিতা নারীদের প্রথম সতীত্ব যাচাই করতে কোন দেশে পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে পাঠন হয়?

নিউজ ডেস্ক – সমাজে বিবাহ বন্ধনকে একটি পবিত্র বন্ধন হিসেবেই মানা হয়। বিবাহ বন্ধনে পর প্রথম রাত্রিতে নববিবাহিত স্বামী স্ত্রী নিজেদের প্রেমময় সময় অতিবাহিত করতে  সঙ্গমে লিপ্ত হয়। যুগ যুগ ধরে এমনই প্রথা চলে আসছে গোটা দেশে। তবে এমন এক পবিত্র বন্ধনকে অন্য মাত্রা দিয়েছে আফ্রিকায় বসবাসরত পিগমি ও বান্টু নামক আদিবাসী উপজাতি সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা।

পিগমি ও বান্টু মধ্য আফ্রিকার একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী যারা প্রধানত হ্রস্বকায় বলে বিশেষভাবে পরিচিত। বলা হয় এরা আফ্রিকার আদিমতম জাতিগোষ্ঠী। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেও এদের অস্তিত্ব ছিল। ফিলিপাইনের ইয়েতা আদিবাসীরা মূলতঃ পিগমি। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জেও পিগমিদের অস্তিত্ব আছে। এরা আছে পাপুয়া নিউগিনিতেও। পিগমি বলতে সাধারণভাবে হ্রস্বকায় যে কোন প্রাণী বোঝানো হলেও পিগমি মূলতঃ বামনাকৃতির জঙ্গলবাসী একটি সুপ্রাচীন মানবসম্প্রদায়।

রোয়ান্ডা, বুরুন্ডি ও উগান্ডা আফ্রিকার তিন দেশের বসবাসরত আদিবাসী গোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরেই তাদের নববিবাহিতা স্ত্রীকে সেই দেশের পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে প্রথম সঙ্গমে লিপ্ত হতে সমর্থন করেন। এই সম্প্রদায় গোষ্ঠীর মধ্যে গ্রাম পঞ্চায়েত সকল নব বিবাহিতা মেয়েদের সঙ্গে প্রথম রাত অতিবাহিত করার পর তাদের সতীত্ব যাচাই করে সম্মতি জানানোর পরেই ওই গ্রামে, শহরে অথবা গোষ্ঠীতে জায়গা পায় সকল নববধূরা। বর্তমান যুগের শিক্ষিত সমাজ এরকম চিন্তা-ধারা অথবা এমন কার্যকলাপ লজ্জাজনক চোখে দেখলেও সেই সকল গোষ্ঠীদের কাছে মান্যতা পায় যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই পরম্পরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.