গ্রীকদের ভাষ্যমতে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে ব্যবহার করা হয় গাণিতিক ফর্মুলা

নিউজ ডেস্ক –  প্রাচীন যুগ থেকে সকলেই সৌন্দর্যের পুজারী হয়ে এসেছেন। রমণী আর সৌন্দর্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত এটাই সকলে মনে করে। যার কারণে নারী জাতির হাতে বরাবরই কাবু  পুরুষ সমাজ। তবে এই সৌন্দর্যের পরীক্ষা করা হয় কিভাবে! আমরা অনেকেই চোখের দেখাকে সৌন্দর্য বলেই মনে করি। কিন্তু না সাধারন মানুষের সকল ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করেছে গ্ৰীক বিশেষজ্ঞরা। তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সৌন্দর্য পরীক্ষা করেন। 

গ্রীকদের ভাষ্যমতে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে ব্যবহার করা হয় গাণিতিক ফর্মুলা। যার নিরিখে মার্কিন মডেল বেলা হাদিদকে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী নারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন গ্ৰীক বিশেষজ্ঞরা। আর এই পরীক্ষা-নিরীক্ষাটি করেছেন লন্ডনের বিখ্যাত কসমেটিক সার্জন জুলিয়ান ডি সিলভা। তিনি সকল সেলিব্রেটি মুখমন্ডলের গোল্ডেন রেশিও মেপে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী নারী বেলা হাদিদি। 

এই ব্যাখ্যা অনুযায়ী গোল্ডেন রেশিও অফ বিউটি ফাইটার্স অনুসারে ভিক্টোরিয়া’স সিক্রেট মডেল বেলা হাদিদ সৌন্দর্যের মানদণ্ডের নিরিখে ৯৪.৩৫ শতাংশ নিখুঁত বলে দাবি করেছেন বৈজ্ঞানিকরা। তবে প্রথম স্থান অধিকার না করলেও বিশ্বসুন্দরী সঙ্গে টেক্কা দিতে যায়নি রয়েছেন আরো অনেক রমণীরা। যেমন –  প্রথম স্থানে বেলা হাদিদ ৯৮.৩৫ শতাংশ অধিকারিণী থাকলেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মার্কিন গায়িকা বিয়োন্সি। যার মুখের নিপুণতাকে বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন 92.88 শতাংশ। এমন করেই তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অভিনেত্রী অ্যাম্বার্ড হার্ড। তার মুখের ৯১.৮৫ শতাংশ একেবারে নিখুঁত। চতুর্থ স্থান অধিকারিণী নাম জনপ্রিয় পপ তারকা অ্যারিয়েনা গ্রান্ডে। যার নিপুণতা রয়েছে  ৯১.৮১ শতাংশ। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন জনপ্রিয় পপ তারকা টেলর সুইফট ৯১.৬৪ শতাংশ। ফাস্টস্টনে ব্রিটিশ মডেল কেট মস। যার মুখের সৌন্দর্যের মানদন্ড ৯১.০৫ শতাংশ। সপ্তম স্থানে রয়েছেন হলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী স্কারলেট জোহানসন ৯০.৯১ শতাংশ। অষ্টম স্থানে রয়েছেন অভিনেত্রী নাটালি পোর্টম্যান। যার মুখের নিপুণতা রয়েছে ৯০.৫১ শতাংশ। নবমস্থানে রয়েছে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কেটি পেরি। ৯০.০৮ শতাংশ। এবং শেষ অর্থাৎ দশম স্থানে রয়েছেন মডেল অভিনেত্রী কারা ডেভালিগনে। তার মুখের আকৃতির সৌন্দর্যের মান ৮৯.৯৯ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.