এই পাখিটিকে যদি কেউ শিকার করে খায় তবে তার মৃত্যু অনিবার্য। কিন্তু কেন জানেন?

পাখি অনেকে পছন্দ করে আবার অনেকে নিজেদের বাড়িতেই পাখি পোষেন।তবে এখন যেই পাখিদের সম্পর্কে জানাব যাদেরকে পোষা তো দূরের কথা তাদেরকে দেখলে ভয়ে তাদের থেকে দূরে থাকবেন।

১) Australian Magpie: অস্ট্রেলিয়ার মাঝারি আকারের সাদা কালো পাখিটি দেখে মনে হয় না যে এটি কতটা মারাত্মক।তবে এদের যখন প্রজনন ঋতু আসে তখন বুঝতে পারা যায় যে এই পাখিটি কতটা মারাত্মক প্রকৃতির।কারন এরা এই সময়ে খুবই আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে।তাই এরা যেকোনো মানুষের উপর আক্রমণ করে বসে বিশেষ করে যারা সাইকেলে চরা মানুষদের উপর বেশি আক্রমণ করে।

২) Mute Swans: এই পাখিটিকে দেখতে খুবই সুন্দর তবে এরা কতটা সন্দর দেখতে ততটায় মারাত্মক প্রকৃতির হয়ে থাকে।এরা যেকোনো সময়ে আক্রমণ করে দেয়।এদের ওজন ১৩ কেজির মতো হয়ে থাকে আর এদের ডানা ৮ ফুট মতো চওড়া হয়ে থাকে।তাই এদের ডানার সাহায্য অনেক প্রানির চোয়াল ভেঙ্গে দিতে পারে।এই পাখিগুলি প্রচুর কুকুরের জীবন নিয়েছে।এমনকি ২০১২ সালে শিকাগোর একটি নদীতে একটি মানুষ নৌকা চালা ছিল হঠাৎ একটি শোয়ান আসে আক্রমণ করে এবং মারাত্মকভাবে আহত করায় ওই ব্যাক্তির জলে ডুবে মৃত্যু হয়।

৩) Great Horned owl: এই পেঁচাটি অন্যান্য পেঁচাদের তুলনায় মারাত্মক নৃশংস প্রজাতি।এই পেঁচাগুলির ওজন মাত্র ১ কেজি হয়ে থাকে তবে এদের ডানায় প্রচুর শক্তি থাকে।এরা অন্যান্য পেঁচাদের তুলনায় অনেক বড়ো হয়ে থাকে।এই পেঁচাগুলি দিনেরবেলায় কিছুই করে না তবে রাতের বেলায় এই পেঁচা খুব মারাত্মক হয়ে থাকে।এরা শুধু তার শিকারকেই আক্রমণ করে থাকে তা নয় এরা মানুষদেরও আক্রমণ করে।

৪) Pitobui: এই পাখি সুন্দর পাখিদের মধ্যে একটি।তবে এই পাখিটি থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই ভালো কারন এই পাখিটি শরীরে একধরনের বিষ পাওয়া যায় যার মধ্যে মারাত্মক নিউরোটক্সিন থাকে।তবে এই বিষ পাখিটি তৈরি করে না এই পাখিটি যে সমস্ত বিষাক্ত পোকামাকড় খায় তার থেকেই এই বিষ তৈরি হয়।তাই এই পাখিতিকে যদি কেউ শিকার করে খায় তবে তার মৃত্যু অনিবার্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published.