হিন্দু নারীদের শাখার উৎপত্তি কিভাবে হল?

নিউজ ডেস্কঃ হিন্দু নারীদের বিবাহিত হওয়ার চিহ্ন হিসাবে দেখা যায় মাথায় সিঁদুর এবং হাতে শাখাপলা। নারীদের বিবাহের পর হাতে শাখা পড়ার রীতিটি চলে আসছে বহু যুগ যুগ ধরে।কিন্তু আপনাদের কি কখন মনে হয়েছে যে এই রীতিটির প্রচলন কি করে হল? আর এই শাখার উৎপত্তি কিভাবে হল?

পুরান অনুসারে, মর্ত্যলোকে শঙ্খচূড় নামের এক রাক্ষসের জন্ম হয়েছিল।ওই রাক্ষস কঠোর তপস্যা করে বর পেয়েছিলেন যে “তার স্ত্রীর সতীত্ব নষ্ট হলেই তার মৃত্যু হবে”।এই বর এর কারনে খুবই অত্যাচারী হয়ে উঠে শঙ্খচূড় এবং তিনি দেবতাদের উপর অত্যাচার শুরু করে।কারন শঙ্খচূড়ের স্ত্রী ছিলেন পতিব্রতি, ধর্মপরায়ণ এবং নারায়নের একনিষ্ঠ ভক্ত।তবে শঙ্খচূড়কে হত্যা করার জন্য নারায়নকে তুলসি দেবীর সাথে ছলনা করতে হয়েছিল।যার ফলে মহাদেব শঙ্খচূড়কে হত্যা করে।এরপর শঙ্খচূড়ের পতিব্রতা স্ত্রী দেবী তুলসি ভগবান বিষ্ণুকে অনুরোধ করে তার এবং তার স্বামীর অমরত্বের।তখন ভগবান বিষ্ণু দেবী তুলসির প্রার্থনায় সন্তুষ্ট হয়ে তুলসি দেবীর স্বামী অর্থাৎ শঙ্খচূড়ের দেহাংশ থেকে তৈরি করেন শাখা।এবং এটি বৈবাহিক সম্পর্কে মাঙ্গলিক চিহ্ন হিসাবে ব্যবহার করার আদেশ দিয়েছিলেন।মনে করা হয় যে এর পর থেকে বৈবাহিক সম্পর্কের চিহ্ন হিসাবে বিবাহিত নারীদের হাতে শাখা পড়ার প্রচলন শুরু হয়েছিল হিন্দুধর্মে।   

Leave a Reply

Your email address will not be published.