দাম্পত্যজীবনে সমস্যা আসতে পারে। বিবাহের আগে যে নিয়ম গুলি না মেনে চললে

নিউজ ডেস্ক –   একটি নির্দিষ্ট বয়সে জীবন সঙ্গিনী বা সঙ্গীকে  নিজের জীবনের সঙ্গে যুক্ত করে বহু মানুষ। তবে এমন তিনটি বিষয় রয়েছে যেগুলো বিবাহ পূর্বে আলোচনা করে নেওয়া ভালো নাহলে দাম্পত্যজীবনে ভাঙ্গা নিয়ে আসতে পারে। কারণ বর্তমানে লাভ মেরেজের পাশাপাশি অ্যারেঞ্জ ম্যারেজের  বহু খ্যাতি রয়েছে সমাজে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ হলে পূর্বে ছেলে ও মেয়ে পরস্পরের সঙ্গে সেভাবে কোনো কথা বলে না।  সুতরাং সেই ক্ষেত্রে লজ্জা না পেয়ে  তিনটে জিনিস সম্পর্কে আগেভাগেই খোলাখুলি আলোচনা করে নিলে ভালো হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে এরেন্জ ম্যারেজের কথা বাড়ানোর আগে ছেলে মেয়েরা সাধারণত শুধু পরিবার ও পেশা ইত্যাদি নিয়ে কথা বলে কিন্তু এমন অনেক ছোটখাটো বিষয় আছে যেগুলো দিকে মনোযোগ দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।  যেমন  —– 

১) ফাইন্যান্সিয়াল কম্পাটিবিলিটি অর্থাৎ অর্থ নিয়ে কথা –  বর্তমান সমাজে অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ হোক কিংবা লাভ ম্যারেজ উভয় ম্যারেজর ক্ষেত্রে  আর্থিক বিষয় নিয়ে খোলাসা করে বলা প্রয়োজন। কারণ বিবাহ সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়ার পরে সাংসারিক খরচ কে চালাবে সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  এছাড়াও অনেক বুঝি না এখন শ্বশুর-শাশুড়ি পাশাপাশি নিজের মা বাবার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয়। সেক্ষেত্রেও স্বামীর সঙ্গে বা জীবনসঙ্গীর সঙ্গে আগে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা উচিত।  সেই আলোচনা যদি দু পক্ষের সম্মতিতে তাহলে বিবাহ দিকে অগ্রসর করা ভালো।  

২) অতীত সম্পর্কিত কিংবা অপ্রকাশিত কিছু তথ্য – বহু মানুষের জীবনে বহু রকম ঘটনা ঘটে থাকে। সেই ক্ষেত্রে অনেকেই রয়েছেন যারা নিজেদের কিছু অপ্রকাশিত তথ্য লোকের সামনে আনতে পছন্দ করেন না। সেই ক্ষেত্রে যে ব্যক্তির সঙ্গে সারা জীবন অতিবাহিত করতে হবে তাকে সব সত্য কথা বলে নতুন জীবন শুরু করা উচিত। কারণ একবার দাম্পত্য জীবনে আবদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর যদি সে এমন কিছু কথা রয়েছে যেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বাইরের লোকের কাছ থেকে শুনতে হচ্ছে সেই ক্ষেত্রে সম্পর্কে ভাঙন দেখা দিতে পারে।  

৩)  কর্মজীবন  – সমাজের রীতি অনুযায়ী বিবাহের পর ঘরের নতুন বৌদের সংসারের কাজ করতে হয়। সেই ক্ষেত্রে যারা ওয়ার্কিং ওম্যান থাকেন তারা ঘরে এবং বাইরে  দু’দিক সমানভাবে সামলাতে হাবুডুবু খায়। সুতরাং সেই ক্ষেত্রে স্বামীর সঙ্গে পরিষ্কার করে কথা বলে না ভালো আপনি কোন কাজটা করতে পছন্দ করবেন এবং কোনটি না। এছাড়া যে কাজ করতে পারবেন না তার বিকল্প কি রাস্তা রয়েছে। সুতরাং এই সকল ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আলোচনা করলে পরে সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.