দীর্ঘ ৬ মাস ধরে কেন ঘুমাতেন কুম্ভকর্ণ?

নিউজ ডেস্কঃ রামায়নে কুম্ভকর্ণ হলেন রাবনে ভাই। আমরা জানি যে কুম্ভকর্ণ ছয়মাস ঘুমিয়ে কাটাতে। তবে কি প্রথম থেকেই এরকম ছিলেন নাকি ছিলেন না।জানুন যে কুম্ভকর্ণ কেন ছয়মাস ঘুমাতেন।  কুম্ভকর্ণের কথা তো আমরা সবাই জানি যে কুম্ভকর্ণ ছয় মাস ঘুমাত এবং একবার জাগত খাবার খাওয়ার কারনে।তবে কুম্ভকর্ণ কিন্তু প্রথম থেকেই এভাবে ঘুমাতেন না।এই নিয়ে একাধিক মতবাদ আছে।একটি হল যে কুম্ভকর্ণ বহু তপস্যা পর ব্রহ্মা তাকে একটি বর দিতে এসেছিলেন।বর স্বরূপ ইন্দ্রের আসন চাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

দেবরাজ ইন্দ্র এটি জানতে পেরে তিনি দেবী সরস্বতীকে কুম্ভকর্ণে এই বর চাওয়া থেকে আটকাতে বলে।তাই দেবী সরস্বতী কুম্ভকর্ণের বর চাওয়ার সময় তার জিভ আটকে ধরে। আর তাই কুম্ভকর্ণ ইন্দ্রাসন চাওয়ার বদলে নিদ্রাসান উচ্চারন করেন।তারপর থেকে কুম্ভকর্ণ ছয়মাস ঘুমিয়ে কাটাত। আরেকটি হল যে যখন রাবন, বিভীষণ এবং কুম্ভকর্ণ ব্রহ্মার কোঠর তপস্যা করছিলেন তখন ব্রহ্মা তাদের উপর প্রসন্ন হয়ে তাদের সামনে প্রকট হয়। তারপর রাবন ও বিভীষণকে তাদের ইচ্ছানুসার বর দেন।কিন্তু ব্রহ্মা কুম্ভকর্ণের কাছে যাওয়া নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। কারন ব্রহ্মা ভেবেছিলেন যে যদি কম্ভকর্ণ পেট ভরে ভোজন করেন তাহলে খুব শীঘ্রই সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়ে যাবে।আর সেই কারনের সরস্বতী কুম্ভকর্ণের মতিভ্রম করার জন্যে বরদান চাওয়ার আগেই সরস্বতী তার জিভ আটকে দেয়।আর তাই কুম্ভকর্ণ যে বরদান প্রাপ্তি করতে চেয়েছিলেন তা আর হল না।আর তার পরিবর্তে কুম্ভকর্ণ ছয়মাস পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকার বর চান যার ফলে কুম্ভকর্ণ ছয়মাস ঘুমিয়ে কাটাত।

Leave a Reply

Your email address will not be published.