শত্রুপক্ষের  শক্তির থেকেও বেশি যুদ্ধ ময়দানে কোন জিনিসটিকে ভয় পায় সেনাবাহিনীরা!

নিউজ ডেস্ক – প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে শুরু হয়েছে যুদ্ধ। নিজের অধিকার বিস্তার করতে কিংবা শত্রুপক্ষের কাছ থেকে নিজের দেশকে রক্ষা করতে পৃথিবীর বুকে বহু আগে থেকেই শুরু হয়েছে যুদ্ধ। তবে অধিকাংশ যুদ্ধে দেখা গিয়েছে নিজের প্রাণের পরোয়া না করে লক্ষ্য স্থির রেখে শহীদ হয়েছেন নানা দেশের বীর জাওয়ানেরা। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শত্রু পক্ষের হুংকার শুনেও ভয়ে পিছপা হন না এই যোদ্ধারা। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি জিনিস রয়েছে যাকে দেখে একবার হলেও মনের ভেতর কেঁপে ওঠে বীর যোদ্ধাদের। আকাশ কিংবা জলপথ নয় স্থলপথের যুদ্ধের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অন্যতম হাতিয়ার হল আইইডিও। এবং বীর সেনাদের আতঙ্কিত হওয়ার দ্বিতীয় অস্ত্রটি হল রেডিও সংকেত প্রেরণের যন্ত্র।  

যুদ্ধক্ষেত্রে অভিজ্ঞ প্রাপ্ত বীর সেনাদের তথ্যমতে, রেডিও সংকেত প্রেরণের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অনায়াসে শত্রু পক্ষের গোটা দলকে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়। কারণ এই যন্ত্রের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের লোকেশন এয়ার স্ট্রাইক টিম ও রকেট আর্টিলারি ইউনিটকে জানিয়ে দেওয়া হয়। আর তারপরেই সংকেত পেতেই এয়ারক্রাফটগুলো এয়ারস্ট্রাইক চালিয়ে গোটা শত্রুপক্ষের আস্তানাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করতে সক্ষম হয়। 

তবে শুধুমাত্র আইইডিও কিংবা সংকেত বহনকারী যন্ত্রণায় যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত আরো বেশ কিছু স্নাইপার রয়েছে যা মাথার ঘাম ঝড়িয়ে  দিতে পারে দাপুটে বীর যোদ্ধাদেরও। সেই স্নাইপারটি হল সাপ্রেসিভ ফায়ার। এই অস্ত্রটি যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত করা হয় যুদ্ধের একদম অন্তিম লগ্নে। কারণ যখন যুদ্ধ শুরু হয় তখন যোদ্ধাদের মধ্যে শক্তি পর্যাপ্ত থাকায় তারা নিজেদের শক্তি ব্যয় করেই শত্রু পক্ষকে আটকে দিতে সমর্থন হন। কিন্তু যখন শত্রুপক্ষের থেকে একগুচ্ছ আগ্নেয়াস্ত্র একসঙ্গে যে আসে এবং সেটা সামলানো মুশকিল হয়ে যায় তখনই ব্যবহার করা হয় সাপ্রেসিভ ফায়ার।  তবে এটি বেশি ব্যবহৃত হয়, শত্রুপক্ষকে দ্রুত শেষ করতে এবং নির্ভয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়। সাপ্রেসিভ ফায়ার, আইইডি, স্নাইপার, ইউএভি বা আর্টিলারি সবগুলোই এক একটা আতঙ্কের আর আশঙ্কার অন্যতম নাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.