সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকে সিস্টিক অ্যাকনির সমস্যা বেশি লক্ষ্য করা যায়

সিস্টিক অ্যাকনিতে প্রায় অনেকেই ভোগেন। সাধারণত যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন।তাই বলা বাহুল্য গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মানুষের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। সিস্টিক অ্যাকনি সাধারণত তুলনামূলক ভাবে একটু বড়ো হয়,দ্রুত পুরো মুখে ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে বেশ ব্যথাও হয়ে থাকে।এই সিস্টিক অ্যাকনি কে নষ্ট করে দেয় মুখের সৌন্দর্য্য সে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে একের পর এক  ডাক্তার, ওষুধ, বাজারের বিভিন্ন কেমিকেলযুক্ত পণ্য ব্যবহার করতে করতে নাস্তানাবুদ অনেকেই।মিলছে না ফল কিছুতেই!চলুন জেনে নেওয়া যাক কেনো হয় এই সিস্টিক অ্যাকনি এবং এর থেকে মুক্ত পাওয়ারই বা উপায় কি..

সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকে সিস্টিক অ্যাকনির সমস্যা বেশি লক্ষ্য করা যায়। অনেকেরই প্রশ্ন সিস্টিক অ্যাকনি কেন হয়? মুখে ব্রণ হয় ব্যাকটেরিয়ার উপদ্রব থেকে। আরও একটি কারণ হলো ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া। সিস্টিক অ্যাকনি সাধারণত এই দুই কারণেই হয়ে থাকে। ত্বকের সূক্ষ্ম ছিদ্রগুলো যখন  ধুলা-ময়লা কিংবা ডেড স্কিন জমে বন্ধ হয়ে যায় তখন মুখে ব্রণ বের হয়। ত্বকের ছিদ্র গুলি অতিরিক্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ত্বকে তেল জমতে থাকে, যার ফলে ব্যাকটিরিয়া আক্রান্ত হয় এবং ব্রণের সৃষ্টি ঘটায়। এছাড়া অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণেও ব্রণ হয়ে থাকে।শুধু তাই নয় অতিরিক্ত স্ট্রেস, মিষ্টি এবং তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার কারণেও সিস্টিক অ্যাকনি বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

তবে এর থেকে কিছুটা নিস্তার পাওয়ার জন্য  ঘরোয়া কিছু উপায় আছে।সেই উপায়গুলির সঠিক ব্যবহার দ্বারা এই ধরণের ব্রণ দূর করা সম্ভব।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু পদ্ধতি- 

> বরফ ত্বকের যেকোনো সমস্যার সমাধানের জন্য এক অন্যতম অস্ত্র।ত্বকে বরফ ঘষলে ত্বকের নানান সমস্যার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যেমন – বরফ ত্বকের ফোলাভাব ও ত্বকের লালচে ভাব কমায়। এটি নিয়মিত ব্যবহারে সিস্টিক অ্যাকনির ব্যথা থেকেও মুক্তি দেয়। 

> সংক্রামিত ত্বকের জন্য হলুদ এর গুন মেলা ভার।এটি একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক উপাদান যা অ্যান্টি বায়োটিক হিসাবে কাজ করে। হলুদে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য, যা ত্বককে সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি  ব্যথা বা প্রদাহ থেকেও মুক্তি প্রদান করে। হলুদে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। যা ত্বককে পরিষ্কার এবং সতেজ রাখতে উপযোগী।

> টি ট্রি অয়েলও ত্বকের জন্য উপকারী।এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য যা ব্রণজনিত ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এই তেলের নিয়মিত ব্যবহার সিস্টিক অ্যাকনির ব্যথা এবং প্রদাহ থেকে মুক্তি দেয়।

> এছাড়াও অ্যাকনী থেকে মুক্তি পেতে অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট ব্যবহার করতে পারেন। একটি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট এক চা চামচ জলের সঙ্গে মিশিয়ে রাতে ব্রণের উপর লাগিয়ে রাখতে হবে।তারপর সকালে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.