শরীরের একাধির রোগ থেকে মুক্তি দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কি কি উপকারিতা রয়েছে মাশরুমের মধ্যে?

নিউজ ডেস্ক: আপনাদের খাদ্যতালিকায় মাশরুম রাখেন তো? যদি না রাখেন তাহলে অবশ্যই রাখুন।কারন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা  স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখতে মাশরুম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে।কারন ক্লোরোফিলবিহীন ছত্রাক জাতীয় এই উদ্ভিদটি মধ্যে বিভিন্ন ধরনের উপাদান থাকে যা শরীরের একাধির রোগ থেকে মুক্তি দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কি কি উপকারিতা রয়েছে মাশরুমের মধ্যে।

১. ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে

মাশরুম ক্যানসার ও টিউমার প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। কারন এর মধ্যে থাকে বেটা-ডি, ল্যামপট্রোল, টারপিনয়েড ও বেনজো পাইরিন উপাদান।  সম্প্রতি এক জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউটের এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে মাশরুমের মধ্যে ক্যানসার প্রতিরোধ করার  ক্ষমতা আছে।

২. মাশরুম এইডস প্রতিরোধক

বর্তমানে  বিশ্বে এইডস প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয় মাশরুমকে।কারন এর মধ্যে থাকে  ট্রাইটারপিন।  

৩. আমাশয় রোগ নিরাময়ে মাশরুম

মাশরুমে থাকা ইলুডিন এম ও এস যা আমাশয় রোগ নিরাময় করতে সহায়তা করে।

৪. এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা

যারা এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতার সমস্যা ভোগেন তাদের জন্য  নিয়মিত মাশরুম খাওয়া খুবই উপকারী।কারন মাশরুমে থাকা উপাদান রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর করে।

৫. চুল পড়া ও পাকা প্রতিরোধে

মাশরুম আমাদের শরীরের পাশাপাশি চুলের জন্যও অত্যন্ত উপকারী।এতে থাকা   সালফার সরবরাহকারী এমাইনো এসিড যা চুল পড়া ও পাকা প্রতিরোধ করে।তাই নিয়মিত খান মাশরুম।

৬. হাইপার টেনশন

মাশরুমে থাকে স্ফিংগলিপিড এবং ভিটামিন-১২ যা স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল কর্ডকে  সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত  মাশরুম খেলে মুক্তি পাবেন হাইপার টেনশন সমস্যা থেকে।

৭. হেপাটাইটিস-বি ও জন্ডিস 

মাশরুম  হেপাটাইটিস-বি এবং জন্ডিসের মতো সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারবে।কারন এর মধ্যে থাকে  প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড, লৌহ এবং লিংকজাই-৮ নামক এমাইনো এসিড ইত্যাদি উপাদান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.