মেয়েদের ট্রাওজার পরা নিষেধ। ফ্রান্সের চমকে দেওয়ার মতো কিছু নিয়ম

নিউজ ডেস্কঃ প্যারিস শব্দটা শুনলেই সবার আগে মাথায় আসে আইফেল টাওয়ার। বিশেষ করে বলতে গেলে প্রচুর মানুষের স্বপ্নের শহর। অর্থাৎ ফ্রান্সের এই শহরটি বেশ বিখ্যাত। তবে এর কিছু আজব নিয়ম রয়েছে যা অনেকেরই অজানা।

আমাদের পশ্চিমবঙ্গের চন্দননগরে অনেক স্কুলেই ফরাসি ভাষা শেখানো হয় এবং ওখানকার অনেক মানুষই এই ভাষাই কথা বলতে পারেন।

ফ্রান্স এমন একটি দেশ যেখানে দশম শ্রেণিতেই রসায়নবিদ্যা পড়ানোর সাথে সাথে সেক্সর একটি চ্যাপটার পড়ানো হয়।

১৮১৪ সাল থেকে ১৮৩০ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের পতাকার রঙ পুরো সাদা ছিল। এবং ওখানে ১২ টি জায়গায় একই সময় ১২ টি ভিন্ন ভিন্ন সময় হয়।  

ফ্রান্সকে ফ্যাশানের আইকন হিসাবে বিবেচনা করা হয় তবে আপনারা কি এটা জানেন যে ওখানে ২১৪ বছর অর্থাৎ ২০১২ সালে আগে মেয়েদের ট্রাওজার পরাতে নিষেধাজ্ঞা ছিল।তবে ২০১২ সালের পর এই নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেওয়া হয়।

ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় ভাষা ফ্রেঞ্জ।তবে ফ্রান্সে এই ভাষার ব্যবহারের থেকে আফ্রিকায় এই ভাষা ব্যবহার বেশি দেখা যায়।কারন হিসাবে জানা যায় যে আফ্রিকাকে ফ্রান্স অনেক বছর দখল করে রেখেছিল।

ফ্রান্সে আপনি Skype দিয়ে যেকোনো ফোন করতে পারবেন বিনামূল্যে।তবে Skype শুধুমাত্র এই সুযোগটি ফ্রান্স, ইউ এস, ইউকে এবং তাইওয়ানকে দিয়েছে।

প্যারিসে কোনো টেক্সি ড্রাইভারকে লাইসেন্সের জন্য ২ লাখ ইউরো দিতে হয়।যার জন্য ওখানে টেক্সির সংখ্যা কম।

ফ্রান্সের একটি মানুষদের দিনে প্রায় ৯ ঘণ্টা ঘুমায় যা একটি উন্নত দেশগুলির মধ্যে সবথেকে বেশি।

বিশ্বের মধ্যে যে সকল দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে তাদের মধ্যে ৫৮ টি দেশ ইউকের কাছ থেকে স্বাধীন হয়েছে, ২৬ টি ফ্রান্সের কাছ থেকে, ২১ রাশিয়ার কাছ থেকে এবং ২১ স্পেনের কাছ থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.