ডিম দেওয়া কোনো খাবার। মাইক্রোওয়েভে কেন খাওয়ার গরম করা উচিৎ নয়?

নিউজ ডেস্ক: মাইক্রোওয়েভ ওভেনে কি সমস্ত খাবারই  গরম করেন? উত্তরটি যদি হ্যাঁ হয়।তাহলে বলে রাখি যে আপনারা খুব ভুল করছেন।কারন এমন কিছু খাবার আছে সেগুলো মাইক্রোওভেনে দিলে তার খাদ্যগুণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সেই খাবারও খারাপ হয়ে যায়। তাই কোন কোন খাবার মাইক্রোওভেনে গরম করা উচিত নয় সেগুলি জেনে নিন-

পাফ পেস্ট্রি

পাফ পেস্ট্রি বাইরে থেকে কিনে নিয়ে বাড়িতে  এসে   মাইক্রোওভেনে গরম করছেন? তাহলে বলে রাখি যে ভুল করছেন।কারন এর ফলে খাবারের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।এছাড়াও বাটারজাতীয়   কোনো খাবার  মাইক্রোওভেনে গরম করার উচিত নয়। 

পিৎজা

পিৎজা বা বার্গার গরম ছাড়া ভালো লাগে না।কিন্তু আবার এটি গরম করতে মাইক্রোওভেনে দিলে সেটিও খারাপ।কারন পিৎজা তৈরি হওয়ার পর আবার গরম করলে পিৎজা ব্রেড শক্ত হয়ে যায়। আর বার্গারও  মাইক্রোওভেনে দেওয়া উচিত নয়।দরকার হলে টোস্টারে গরম করুন। কারণ, পাউরুটি তৈরির সময় এটি পোড়ানো হয়। এই কারনে পুনরায় গরম না করাই ভালো।

ডিম দেওয়া কোনো খাবার

কোনো খাবারের ভেতরে যদি ডিম দেওয়া থাকে তাহলে সেটিকে মাইক্রোওভেনে গরম উচিত নয়। তার কারণ হল মাইক্রোওভেনে ডিম দিলে তা ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মাছ

মাইক্রোওভেনে মাছের ঝোল বা মাছের কালিয়া গরম করে থাকে অনেকেই।কিন্তু এটা অনেকেই জানে  না যে এই খাবারগুলো মাইক্রোওভেনে গরম না করাই ভালো।

দুধ দিয়ে তৈরি কোনো খাবার

দুগ্ধজাতীয় কোনো  খাবার মাইক্রোওভেনে গরম করা উচিত নয়। কারন এই জাতীয় খাবার মাইক্রোওভেনে দিলে তার খাদ্যগুণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অনেক সময় খাবারও নষ্ট হয়ে যায়।

নরম খাদ্য

নরমজাতীয় খাবার যেমন – খুব তুলতুলে কেক, বা এরকম হালকা কোনো খাবার মাইক্রোওভেন কখনও  গরম করা উচিত নয়।

বেবিফুড

আপনারা কি বেবিফুড  মাইক্রোওভেনে গরম করে বাচ্চাদের খাওয়াচ্ছেন? তাহলে খুব ভুল করছেন কারন এতে বাচ্চার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।তাই বেবিফুড  মাইক্রোওভেনে কখনই গরম করবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.