একজনের মাথা অন্যজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করার পদ্ধতি। কোন দেশ গুলিতে চলছে এই নিয়ে গবেষণা?

নিউজ ডেস্ক – অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রায়  হয়ে থাকে। কোন অ্যাক্সিডেন্ট কিংবা কোন অঙ্গের ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে সেই অঙ্গটি বাদ দিয়ে অন্য কারোর অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা আজকাল জলভাতের মতো চিকিৎসকদের কাছে। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের নানা বিষয়ে গবেষণা করে এবার একজনের মাথা অন্যজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করতে সফল হল চিকিৎসা বিজ্ঞান। কি তাজ্জোব হচ্ছেন তো! একজনের মাথা অন্যজনের শরীরে কিভাবে দেওয়া সম্ভব? কিন্তু অসম্ভব একটা কোন জিনিস নেই বিজ্ঞানের ভাষায়। এমন এক অসম্ভব কে সম্ভব করে দেখিয়েছেন ইতালীয় এক  নিউরোসার্জেন। 

জানা যায় গত কয়েক বছর ধরেই মানুষের মাথা প্রতিস্থাপনের চেষ্টা  করছিল বিজ্ঞানীরা। এর আগে এক ইতালীয় নিউরোসার্জেনের  নেতৃত্বে একটি দল মানুষের মাথা প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। তবে তাঁরা কিন্তু কোনও জীবিত মানুষের মাথা প্রতিস্থাপন করতে পারেননি। তাঁরা চিনের এক গবেষণাগারে ১৮ ঘণ্টা অপারেশনের পর দুজন মৃত মানুষের মাথা, মেরুদণ্ড ও রক্তনালী প্রতিস্থাপন করতে পেরেছিলেন। 

ঘটনা প্রসঙ্গে ইউনিভার্সিটি টিচিং হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্রধান ব্রুস ম্যাথু জানিয়েছেন, অ্যাডভান্স রোবোটিক্স-এ স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট এবং স্নায়ু শল্যচিকিৎসার অগ্রগতিকে সঙ্গী করে দুজন মানুষের দেহে মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ড স্থানান্তর ঘটানো সম্ভব। তবে এর আগে যেভাবে স্পাইনাল কর্ড থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে, প্রতিস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে তা সম্ভবপর নয়। কারণ স্পাইনাল কর্ড-সহ মাথা প্রতিস্থাপন করতে হবে। তবে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে অত্যাধুনিক স্টেমসেল প্রতিস্থাপন, রোবোটিক ও স্নায়ু সার্জারির মাধ্যমেই এতে সাফল্য মিলবে। 

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ডক্টর জায়োপিং রেন একটি মৃত বানরের মাথা প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু জীবিত মানুষের ক্ষেত্রে সেটি  প্রতিস্থাপন করতে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালু করলেও বর্তমানে জীবিত মানুষের ক্ষেত্রে সফল করা হয়নি। তবে হাল ছাড়েনি বিজ্ঞান প্রযুক্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *